৭৫ লক্ষ বড়িতে পরিস্রুত পানীয় জল, সাফল্যের শিখর সময়ের অপেক্ষা
Purified drinking water in 75 lakh tablets, the peak of success is waiting for time

The Truth of bengal: পরিস্রুত পানীয় জল পাওয়া থেকে কেউ বঞ্চিত থাকবে না। এই লক্ষ্যে কাজ করে চলেছে রাজ্য সরকার। বাড়ি বাড়ি পরিস্রুত পানীয় জল দেওয়ার ক্ষেত্রে ইতিহাস সৃষ্টি হল। রাজ্যের ৭৫ লক্ষ বাড়িতে পানীয় জলের সংযোগ পৌঁছে গিয়েছে। ২০২০ সালের ৭ জুলাই রাজ্যে এই প্রকল্পের সূচনা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। ৫৮ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে রাজ্যের প্রতিটি বাড়িতে পানীয় জলের সংযোগ দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছিল। ৭৫ লক্ষ বাড়িতে পৌঁছে গিয়েছে পানীয় জলের নল। সাফল্যের শিখরে পৌঁছনো এবার সময়ের অপেক্ষা। ২০২০ সালে শুরু হওয়া প্রকল্পের কাজ কিছুটা থমকে গিয়েছিল কোভিড কালে। সেইসব বাধা পেরিয়ে মাত্র সাড়ে তিন বছরে ৭৫ লক্ষ বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে পানীয় জলের সংযোগ।
কালিম্পং থেকে কাকদ্বীপ, বান্দোয়ান থেকে বনগাঁ— সর্বত্র বাড়ি বাড়ি পৌঁছে গিয়েছে পরিস্রুত পানীয় জলের সংযোগ। শুধু গৃহস্থ বাড়ি নয়, স্কুল, অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র, স্বাস্থ্যকেন্দ্র সব সব জায়গায় পৌঁছে দেওয়া হয়েছে বিশুদ্ধ পানীয় জল। পানীয় জল আনতে এখন আর দূরে যেতে হয় না। এখন বাড়িতেই মিলছে সরকারের দেওয়া পরিস্রুত পানীয় জল। রাজ্যের মানুষ খুশি। ধন্যবাদ জানিয়েছে মুখ্যমন্ত্রীকে। সব বাড়িতে পরিস্রুত পানীয় জল পৌঁছে দিতে বদ্ধপরিকর রাজ্য সরকার। সেই লক্ষ্যে কাজ করে চলেছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে দ্রুততার সঙ্গে কাজ শেষ করতে একাধিক পদক্ষেপ করা হয়েছে।
শুধু পরিস্রুত পানীয় পৌঁছে দেওয়াই লক্ষ্য নয়, জল নিয়ে যাতে কোনও অভিযোগ না ওঠে এবং বিশুদ্ধতায় কোনও আপস করতে রাজ্যে ২১৬টি পরীক্ষাগার করা করা হয়েছে। যা ইতিমধ্যে NABL স্বীকৃতি পেয়েছে। এই ব্যবস্থাপনায় দেশের সেরা হতে পেরেছে রাজ্য সরকার। এই প্রকল্পের জন্য কেন্দ্র-রাজ্য ৫০ শতাংশ করে টাকা দেওয়ার কথা। কিন্তু বাস্তবে জমি, বিদ্যুৎ এবং রক্ষণাবেক্ষণের জন্য রাজ্যের আরও ২৫ শতাংশ টাকা খরচ হয়। অর্থাৎ, এই প্রকল্পে ৭৫ শতাংশ টাকা খরচ করে রাজ্য। কেন্দ্রের অসহযোগিতার মাঝেও সব বাড়িতে পরিস্রুত পানীয় জল পৌঁছে দেওয়ার দেওয়ার ক্ষেত্রে ইতিহাস সৃষ্টি করল রাজ্য সরকার।





