ককরোচদের ধামাকার পর এবার মাঠে ‘RHA’! সোশাল মিডিয়ায় ঝড় তুলে শুরু ‘সংরক্ষণ হটাও আন্দোলন’
শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের পরই তোলপাড়! ইনস্টাগ্রামে লাখ লাখ ফলোয়ার নিয়ে আত্মপ্রকাশ নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মের
Truth of Bengal: নিট (NEET) প্রশ্নফাঁস কাণ্ডে দেশ জুড়ে আন্দোলন আর জনরোষের মুখে শেষ পর্যন্ত পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। আর এই ঐতিহাসিক জয়ের নেপথ্যে যে নামটি সবচেয়ে বেশি চর্চায় এসেছে, তা হলো অভিজিৎ দীপকের ব্যঙ্গাত্মক সোশাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম, ‘ককরোচ জনতা পার্টি’। যন্তর মন্তরে তাদের ডাকে হাজার হাজার পড়ুয়ার স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ এবং ককরোচদের সেই ‘মিশন সাকসেসফুল’ হওয়ার পর থেকেই যেন সোশাল মিডিয়ায় প্রতিবাদের এক নতুন জোয়ার এসেছে। এবার সেই একই ধাঁচে আত্মপ্রকাশ করল আরও একাধিক যুব সংগঠন, যার মধ্যে সবচেয়ে বড় তোলপাড় সৃষ্টি করেছে ‘রিজার্ভেশন হটাও আন্দোলন’ (RHA)।
ইনস্টাগ্রামে আত্মপ্রকাশের খুব অল্প সময়ের মধ্যেই ৫.৬ মিলিয়নেরও বেশি ফলোয়ার্স সংগ্রহ করে সবাইকে চমকে দিয়েছে এই আরএইচএ (RHA)। অ্যাকাউন্টটিতে ইতিমধ্যে ১০০টিরও বেশি পোস্ট করা হয়েছে, যদিও তারা ফলো করছে শুধুমাত্র ভারতীয় সেনাকে। প্রোফাইলের বায়োতে লেখা রয়েছে ড. বি আর আম্বেদকোরের সেই বিখ্যাত বার্তা, ‘শিক্ষিত হও, আন্দোলন করো, সংগঠিত হও’। সঙ্গে হিন্দিতে স্লোগান দেওয়া হয়েছে, ‘সারি জাতি এক সমান, মেরা বস ইয়ে দেশ মহান’। সংগঠনটি নিজেদের কোনো রাজনৈতিক দলের সাথে যুক্ত নয় বলে জানালেও, এর মূল প্রতিষ্ঠাতার পরিচয় এখনো নেটিজেনদের কাছে অজানা। তাদের মূল দাবি হল, বর্তমান সংরক্ষণ ব্যবস্থা মেধার বিকাশকে চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে, সমাজে জাতিভেদ বাড়াচ্ছে এবং প্রতিযোগিতা কমিয়ে শিক্ষার গুণগত মান নামিয়ে আনছে। তাই জাতপাতের পরিবর্তে খাঁটি মেধার ভিত্তিতে সমান সুযোগ দেওয়ার আবেদন জানিয়েছে এই সোশাল আন্দোলন।
শুধু আরএইচএ-ই নয়, দেশের ক্রমবর্ধমান জ্বালানি সমস্যা ও ইথানল মিশ্রিত পেট্রল নিয়ে ক্ষোভকে অস্ত্র করে মাঠে নেমেছে ‘ই-২০ জনতা পার্টি’। ককরোচদের ডিজিটাল সফলতার পর আত্মপ্রকাশ করা এই সংগঠনটির ফলোয়ার্স সংখ্যাও দ্রুতগতিতে বাড়ছে। ইতিমধ্যেই এক্স-হ্যান্ডেলে (টুইটার) প্রায় ৪২ হাজার ৫০০ এবং ইনস্টাগ্রামে ১.২৫ লক্ষের বেশি মানুষ যুক্ত হয়েছেন এই আন্দোলনের সঙ্গে। কে বা কারা এই অনলাইন ট্রেন্ডগুলোর নেপথ্যে রয়েছে তা স্পষ্ট নয়, তবে ককরোচ বা আরএইচএ-র মতো সোশাল মিডিয়া ভিত্তিক এই প্ল্যাটফর্মগুলি যে দেশের তরুণ প্রজন্মের কাছে প্রতিবাদের এক শক্তিশালী বিকল্প মাধ্যম হয়ে উঠছে, তা বলাই বাহুল্য।






