রাজ্যের খবর

Cooch Behar: কোচবিহারে ফের রাজনৈতিক সংঘর্ষ, তৃণমূলের বিরুদ্ধে বিজেপি কর্মীদের বাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ

দিনহাটায় চার গেরুয়া শিবিরের কর্মীর বাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ উঠল ঘাসফুল শিবিরের বিরুদ্ধে।

Truth of Bengal: ভোট যত কাছে আসছে, ততই রাজনৈতিক পরিস্থিতি উগ্র হয়ে উঠছে কোচবিহারের। প্রায় প্রতিনিয়তই সেখান থেকে উঠে আসছে রাজনৈতিক হিংসার চিত্র। এবারও তার ব্যতিক্রম হল না। দিনহাটায় চার গেরুয়া শিবিরের কর্মীর বাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ উঠল ঘাসফুল শিবিরের বিরুদ্ধে। যদিও সমস্তটা অস্বীকার করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। তবে ঘটনাকে কেন্দ্র করে জোর চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা জেলায় (Cooch Behar)।

আরও পড়ুন: Uttarkashi Flood: উত্তরাখণ্ডে ভয়াবহ হড়পা বান, এখনও পর্যন্ত ৪০৯ জনকে উদ্ধার

২০২৬ সালে বাংলার মাটিতে হবে বিধানসভা নির্বাচন। ইতিমধ্যেই তার দামামা বেজে গিয়েছে। শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস থেকে শুরু করে প্রধান বিরোধী দল বিজেপি, সকলেই কমবেশি প্রচারে নেমে পড়েছে। একদিকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ২১শে জুলাই সভার পর রাজ্যজুড়ে ভাষা আন্দোলন করছেন। অন্যদিকে, রাজ্যে ঘেরুয়া শিবিরকে মজবুত করতে সভা করছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। বলা ভালো, একপ্রকার ভোটের আমেজ তৈরি হয়ে গিয়েছে রাজ্যে (Cooch Behar)।

তবে ভোটের দিন যত কমে আসছে, ততই রাজনৈতিক হিংসা বাড়ছে কোচবিহারে। সম্প্রতি, এই জেলা একাধিকবার এই ইস্যুতে এসেছে শিরোনামে। কোথাও আক্রান্ত হচ্ছে তৃণমূল কর্মীরা, আবার কোথাও আক্রান্ত হচ্ছেন বিজেপির লোকবল। বলা ভালো, হিংসার মাত্রা একেবারে চরম পর্যায়ে পৌঁছে গেছে এই জেলায়। এমন ঘটনা লাগাতার হওয়ার জেরে স্থানীয় বাসিন্দারা বেশ আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন।

এবার এরকমই এক আতঙ্কের চিত্র ধরা পরল দিনহাটার নাজিরহাট ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায়। তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে ৪ জন বিজেপি কর্মীর বাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ উঠল। জানা গিয়েছে আক্রান্ত বিজেপি কর্মীরা দলের পঞ্চায়েত সদস্যা যুথিকা বর্মন, ৬ নম্বর মণ্ডল মহিলা মোর্চার সভানেত্রী মলিনা বর্মন, কর্মী জিতেন্দ্র নাথ বর্মন ও প্রাক্তন মণ্ডল সভাপতি তরনী কান্ত বর্মন (Cooch Behar)।

Truth of Bengal fb page: https://www.facebook.com/share/1ADtx3ZZeU/

যুথিকা বর্মন বলেন, “আজ সকালে তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি মদনমোহন বর্মনের নেতৃত্বে কয়েকজন দুষ্কৃতি আমাদের বাড়িতে হামলা চালায়। তখন বাড়িতে ছিল আমার বৃদ্ধা মা ও আমার ভাইয়ের বউ। দুষ্কৃতীরা ওদের মারধর করে লুটপাট চালায়।” অন্য একদল দুষ্কৃতী বাকি সদস্যদের বাড়িতে হামলা চালায় বলে অভিযোগ। যদিও মদনমোহন বর্মন সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাঁর বক্তব্য, “যখন এই ঘটনা ঘটে, তখন আমরা সকলে সাহেবগঞ্জে ছিলাম ব্লক সভাপতির বাড়িতে দলীয় কাজে। তখন আমরা ওখানে ছিলামই না। তৃণমূল কংগ্রেসকে কালিমালিপ্ত করতে বিজেপির পঞ্চায়েত সদস্যা আমাদের নাম জড়িয়েছে।”

Related Articles