প্রসেনজিতের বাড়িতে সুকান্ত-রুদ্রনীল! পদ্ম-সম্মানের শুভেচ্ছা না কি রাজনীতির নয়া সমীকরণ?
ভগবান শ্রীরামচন্দ্রের একটি মূর্তি উপহার দিয়ে অভিনন্দন জানান সুকান্তবাবু
Truth of Bengal: বাংলা চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের ‘পদ্মশ্রী’ প্রাপ্তিতে খুশির হাওয়া টলিউড ছাড়িয়ে সারা দেশে। অভিনেতার এই সাফল্যে শুভেচ্ছা জানাতে তাঁর বালিগঞ্জের বাসভবনে উপস্থিত হয়েছিলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষা ও উত্তর-পূর্ব উন্নয়ন প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। সঙ্গে ছিলেন অভিনেতা তথা বিজেপি নেতা রুদ্রনীল ঘোষ। বুম্বাদাকে পুষ্পস্তবক এবং ভগবান শ্রীরামচন্দ্রের একটি মূর্তি উপহার দিয়ে অভিনন্দন জানান সুকান্তবাবু।
দীর্ঘ আলাপচারিতা হলেও এই সাক্ষাৎকারে রাজনীতির কোনও যোগসূত্র নেই বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন উপস্থিত সদস্যরা। রুদ্রনীল ঘোষের মতে, প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের এই সম্মান সমগ্র রাজ্যের জন্য গর্বের বিষয়। কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে এই বিশেষ সম্মাননা প্রদান করায় একজন মন্ত্রী হিসেবে সুকান্ত মজুমদার তাঁকে ব্যক্তিগতভাবে শুভেচ্ছা জানাতে গিয়েছিলেন। প্রসেনজিতের দীর্ঘ অভিনয় জীবন এবং বাংলা চলচ্চিত্র ইন্ডাস্ট্রিকে কয়েক দশক ধরে আগলে রাখার প্রশংসা করেন মন্ত্রী। আলোচনার মূল বিষয়বস্তু ছিল বাংলা সিনেমার বর্তমান অবস্থা এবং এর ভবিষ্যৎ উন্নতি। সুকান্ত মজুমদার নিজেও চলচ্চিত্রের অনুরাগী এবং প্রসেনজিতের অভিনীত বহু সিনেমা তিনি দেখেছেন। ইন্ডাস্ট্রিকে আরও কীভাবে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া যায় এবং শিল্পীদের মানোন্নয়ন করা সম্ভব, তা নিয়ে তাঁদের মধ্যে গঠনমূলক কথাবার্তা হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে টলিউডের অন্দরে নানা বিভেদের চিত্র সামনে এলেও এ দিনের আলোচনায় দলমত নির্বিশেষে শিল্প ও সংস্কৃতির উন্নয়নের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।
রুদ্রনীল আরও জানান, এই সাক্ষাতে রাজনীতি বা দলগত বিভাজন নিয়ে কোনও কথা ওঠেনি। বরং একজন গুণী শিল্পীর প্রতি শ্রদ্ধা এবং ভালবাসাই ছিল এই মিলনের মূল সুর। রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠে শিল্পীর সম্মানকে উদযাপন করতেই এই আয়োজন করা হয়েছিল। প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের হাত ধরে বাংলা সিনেমা আগামী দিনে আরও আন্তর্জাতিক স্তরে পৌঁছাবে, এমনটাই আশা প্রকাশ করেন অতিথিরা।






