রাজ্যের খবর

শালবনি জমি দুর্নীতিতে বড় দাবি CID-এর! কার অফিসে পৌঁছত জালিয়াতির টাকা?

সিআইডির দাবি, শালবনিতে উদ্বাস্তুদের চাষের জন্য বরাদ্দ সরকারি জমি ঘিরে দুর্নীতির ছক তৈরি হয়েছিল।

Truth of Bengal: শালবনি জমি দুর্নীতি মামলায় সিআইডির চার্জশিটে উঠে এসেছে একাধিক চাঞ্চল্যকর দাবি। তদন্তকারীদের বক্তব্য, জমি সংক্রান্ত জালিয়াতির মাধ্যমে তোলা অর্থ প্রাক্তন বিধায়ক সুজয় হাজরার মাধ্যমে সুমিত রায়ের অফিসে পৌঁছত। এই দাবির ভিত্তি হিসেবে কয়েকজন সাক্ষী, গাড়িচালক এবং দুই প্রাক্তন দেহরক্ষীর বয়ানের উল্লেখ করা হয়েছে।

সিআইডির দাবি, শালবনিতে উদ্বাস্তুদের চাষের জন্য বরাদ্দ সরকারি জমি ঘিরে দুর্নীতির ছক তৈরি হয়েছিল। এই চক্রে সুমিত রায়, সুজয় হাজরা, অনিতেশ পাইরা-সহ আরও কয়েকজনের ভূমিকা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। চার্জশিটে মোট ২০ জন সাক্ষীর বয়ানের উল্লেখ রয়েছে।

তদন্তে আর্থিক লেনদেন নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। সিআইডির দাবি, ২০১৮ থেকে ২০২১ সালের মধ্যে সুমিত রায়ের একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের অ্যাকাউন্টে প্রায় ৭ কোটি টাকা জমা পড়েছিল। ওই অর্থের উৎস সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদে সন্তোষজনক ব্যাখ্যা মেলেনি বলেও তদন্তকারীদের দাবি।

সম্প্রতি এই মামলায় সুমিত রায়কে গ্রেফতার করেছে সিআইডি। যদিও ২ সেপ্টেম্বর জমা দেওয়া চার্জশিটে তাঁর নাম অভিযুক্ত হিসাবে ছিল না বলে জানা গিয়েছে। মামলার তদন্ত এখনও চলছে এবং চার্জশিটে উল্লিখিত অভিযোগগুলি বিচারাধীন।