বন্যায় জলবন্দি দেড় লক্ষ মানুষ! নৌকাতেই চিকিৎসা নিয়ে ভূতনির গ্রামে স্বাস্থ্যকর্মীরা
এমন পরিস্থিতিতে বানভাসি মানুষের কাছে স্বাস্থ্য পরিষেবা পৌঁছে দিতে নৌকায় করে জলবন্দি গ্রামগুলিতে পৌঁছাচ্ছেন স্বাস্থ্য দফতরের কর্মীরা।
Truth of Bengal: গঙ্গা নদীর জলে প্লাবিত ভূতনি থানার অন্তর্গত তিনটি অঞ্চলের প্রায় সমস্ত গ্রাম। জলবন্দি অবস্থায় রয়েছেন দেড় লক্ষেরও বেশি মানুষ। বন্যার জলে ডুবে গিয়েছে থানা, বিদ্যালয় থেকে শুরু করে হাসপাতালও। এমন পরিস্থিতিতে বানভাসি মানুষের কাছে স্বাস্থ্য পরিষেবা পৌঁছে দিতে নৌকায় করে জলবন্দি গ্রামগুলিতে পৌঁছাচ্ছেন স্বাস্থ্য দফতরের কর্মীরা।
উত্তর চন্ডিপুরের বিভিন্ন জলবন্দি গ্রামে নৌকায় করে পৌঁছে চিকিৎসা পরিষেবা দেন মানিকচক ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক ডাঃ অভিক শংকর কুমার এবং স্বাস্থ্য দফতরের কর্মীরা। নৌকার উপরেই রোগীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে প্রয়োজনীয় ওষুধপত্র দেওয়া হয়।
স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা যায়, বন্যা পরিস্থিতিতে জ্বর, সর্দি, কাশি-সহ বিভিন্ন রোগের উপসর্গ দেখা দিচ্ছে বানভাসি মানুষদের মধ্যে। সেই কারণে জলবন্দি এলাকায় নিয়মিত নজরদারি চালানোর পাশাপাশি নৌকায় করে চিকিৎসা পরিষেবা ও প্রয়োজনীয় ওষুধ পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।
এদিন শতাধিক পরিবার ও মানুষের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে প্রয়োজনীয় ওষুধপত্র বিতরণ করা হয়। পাশাপাশি বন্যার সময় কীভাবে স্বাস্থ্য সুরক্ষিত রাখা যায়, সেই বিষয়ে বানভাসি মানুষদের সচেতন করা হয়।
মানিকচক ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক জানান, জলবন্দি মানুষদের চিকিৎসা পরিষেবা দেওয়ার পাশাপাশি তাঁদের মধ্যে কোনও স্বাস্থ্যজনিত সমস্যা দেখা দিয়েছে কি না, তা জানতে নৌকার মাধ্যমে গ্রামে গ্রামে পৌঁছে পরিষেবা দেওয়া হচ্ছে। প্রতিদিনই ভূতনির বিভিন্ন এলাকায় চিকিৎসকদের নিয়ে এই কর্মসূচি চালানো হচ্ছে।
স্বাস্থ্য দফতর আরও জানিয়েছে, ইতিমধ্যেই আড়াইশোর বেশি গর্ভবতী মাকে উদ্ধার করে নিরাপদ স্থানে রাখা হয়েছে। বন্যা পরিস্থিতিতে বিভিন্ন রোগের উপরও নজরদারি চালাচ্ছে স্বাস্থ্য দফতর।



