দামোদর নদ ও শালী নদীর সঙ্গমস্থলে অচেনা অজানা পুণ্যক্ষেত্র সোমসার
৩ দিকে অফুরন্ত সবুজ গাছগাছালির সমাহার ও আরেক দিকে দামোদর নদের ব্যস্ত জলরাশি সোমসার গ্রামকে এক অন্য মাত্রা দিয়েছে।
Truth Of Bengal: বাঁকুড়া জেলায় এক শান্ত নিরিবিলি প্রাকৃতিক পরিবেশে গড়ে ওঠা এক গ্রাম হল সোমসার। এটি বাংলার এক অচেনা অজানা পুণ্যক্ষেত্র। দামোদর নদ ও শালী নদীর তীরে সঙ্গমে অবস্থিত এই ছবির মতো সাজানো গোছানো গ্রাম সোমসার। বর্ধমানের খণ্ডঘোষ ও বাঁকুড়ার সীমানা বরাবর সোমসার বিখ্যাত প্রাচীন সোমেশ্বর শিবমন্দির আর রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের প্রাক্তন অধ্যক্ষ স্বামী ভূতেশানন্দজীর পৈতৃক ভিটে হিসাবে।
৩ দিকে অফুরন্ত সবুজ গাছগাছালির সমাহার ও আরেক দিকে দামোদর নদের ব্যস্ত জলরাশি সোমসার গ্রামকে এক অন্য মাত্রা দিয়েছে। গ্রামের উপাস্য দেবতা সোমেশ্বর শিবের নামে গ্রামের নাম সোমসার। বাঁকুড়া জেলার বিষ্ণুপুর মহকুমার ইন্দাস ব্লকের অধীনে সোমসার গ্রামের পাশে রয়েছে পলাশডাঙা ও ভগিতপুর গ্রাম। সোমসার থেকে জয়রামবাটী খুব কাছে।
৮ এর দশকে কয়েক জন ভক্ত জানতে পারেন সোমসার গ্রামে রয়েছে রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের প্রাক্তন অধ্যক্ষ স্বামী ভূতেশানন্দজীর পৈতৃক ভিটে। একটি শিবমন্দির অযত্নে পড়ে আছে। তাঁরাই ১৯৯৩ সালে ওই শিবমন্দির দর্শন করে টিনের ছাউনি তৈরি করে দেন। কয়েক বছর পর মন্দিরে জাঁকজমকপূর্ণ ভাবে পুজো শুরু হয়। গরিব মানুষকে জরুরি চিকিৎসা ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার ব্যবস্থা দিতে তৈরি হয় সোমসার রামকৃষ্ণ সেবামন্দির।
১৯৯৮ সালে স্বামী ভূতেশানন্দজীর পরিবারের দান করা জমিতে মন্দির তৈরি হয়। ২০১৫ সালে নতুন মন্দির তৈরি হয়। ২০২১ সালে সোমসার রামকৃষ্ণ সেবামন্দিরকে অধিগ্রহণ করে বেলুড়ের রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশন। এই মন্দিরে আসলে মন জুড়িয়ে যায়। আটচালা সোমেশ্বর শিবের মন্দিরে নিয়মিত পুজো হয়। শিবরাত্রির সময় জাঁকজমকপূর্ণ ভাবে অনুষ্ঠান হয়। এছাড়াও রয়েছে একটি প্রাচীন কালীমন্দির। এক সময় সেখানে পঞ্চমুণ্ডির আসন পেতে তন্ত্র সাধনা করতেন সাধকরা।






