রাজ্যের খবর

Flood Catastrophe: পাকিস্তানে বন্যায় বিপর্যয়, হড়পা বানে মৃতের সংখ্যা ছাড়াল ৩০০

Torrential monsoon rains trigger flash floods and landslides in northwest Pakistan, leaving over 300 dead, villages swept away, and rescue operations in full swing.

Truth Of Bengal: পাকিস্তানে প্রবল বৃষ্টি ও ধসে ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। আর তাতেই হু হু করে বাড়ছে মৃতের সংখ্যা। ইতিমধ্যেই প্রায় ৩৫০ জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। শনিবার নতুন করে শতাধিক দেহ উদ্ধার হয়েছে ধসের ধ্বংসস্তূপ থেকে। সরকারি হিসাবে মৃতের সংখ্যা এখন ৩৪৪ হলেও, সেটি আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা(Flood Catastrophe)। শুক্রবারই মুষলধারে বৃষ্টিপাতের ফলে প্রদেশের বিভিন্ন জেলায় হড়পা বান দেখা দেয়। তাতে ২০০ জনেরও বেশি মানুষ মারা যান। শনিবার উদ্ধারকাজ শুরু হতেই বাড়ছে মৃতের সংখ্যা। এই প্রসঙ্গে সরকারি মুখপাত্র ফৈজি বলেছেন যে খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের বাজাউর, বুনের, সোয়াত, মানাইহরা, শাংলা, তোরঘর এবং বাটাগ্রাম জেলায় বন্যায় ৩০০ জনেরও বেশি লোক মারা গিয়েছেন। যার মধ্যে বুনারে কমপক্ষে ১৮৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। ইতিমধ্যেই সাড়ে তিন হাজারের বেশি মানুষকে নিরাপদে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। পাহাড়ি এলাকায় বহু পর্যটক আটকে পড়েছেন, তাঁদের উদ্ধারের চেষ্টাও চলছে।

[আরও পড়ুনঃ Road Rescue: ক্ষতিগ্রস্ত ১০ নম্বর জাতীয় সড়কের একাধিক জায়গা পরিদর্শন করলেন দার্জিলিং এর সংসদ রাজু বিস্ত]

উত্তর-পশ্চিম পাকিস্তানের বিস্তীর্ণ এলাকা প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের বহু জেলা হড়পা বানে ভেসে গিয়েছে। পাক অধিকৃত কাশ্মীরেও গ্রাম পর গ্রাম জলের তোড়ে ধ্বংস হয়ে গিয়েছে(Flood Catastrophe)। পাকিস্তানের জাতীয় বিপর্যয় নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এ বছর ২ জুন থেকে এখন পর্যন্ত বৃষ্টিজনিত কারণে মৃতের সংখ্যা ৬০০ ছাড়িয়েছে। সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত খাইবার পাখতুনখোয়ার বুনের জেলা। কয়েকশো উদ্ধারকারী দিনরাত এক করে তল্লাশি ও উদ্ধারকাজ চালাচ্ছেন।

FB POST: https://www.facebook.com/truthofbengal

স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, মেঘভাঙা বৃষ্টির জেরে আচমকাই হড়পা বান নেমে আসে। এক বাসিন্দা বলেন, ‘কোথা থেকে জল এল, বুঝতেই পারিনি। মুহূর্তের মধ্যে সবকিছু ভেসে গেল।’ বুনেরের একটি হাসপাতালের চিকিৎসক জানান, মৃতদের অধিকাংশই শিশু ও পুরুষ(Flood Catastrophe)। কারণ, বান নামার সময় গ্রামের মহিলারা পাহাড়ে কাঠ কাটতে বা গরু চরাতে গিয়েছিলেন।  বলা বাহুল্য, ২০২২ সালের বর্ষায় পাকিস্তান দেখেছিল সবচেয়ে বড় বিপর্যয়। তখন বন্যা ও হড়পা বানে মৃত্যু হয়েছিল ১৭০০ জনেরও বেশি মানুষের। এবারও সেই স্মৃতি যেন ফের উসকে দিয়েছে চলতি মৌসুমের দুর্যোগ।

Related Articles