দেশ

Himachal Floods: টানা বৃষ্টিতে বিধ্বস্ত হিমাচল, মৃত ৬৩, নিখোঁজ বহু

Torrential rains and flash floods wreak havoc in Himachal Pradesh. 63 dead, 40 missing, over ₹400 crore in damage

Truth Of Bengal: মেঘ ভাঙা বৃষ্টি সেইসঙ্গে হড়প্পা বানের জেরে  বিপর্যস্ত অবস্থা হিমাচল প্রদেশে। এরজেরে রাজ্যে ৬৩ জনের মৃত্যু হয়েছে, নিখোঁজ ৪০ জন। সেইসঙ্গে লাগাতার বৃষ্টির জেরে অন্তত ৪০০ কোটি টাকার সম্পত্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা বিভাগ(Himachal Floods)। এই পরিস্থিতিতে ভারতীয় আবহাওয়া দফতরের তরফে ৭ জুলাই পর্যন্ত ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করেছে। হিমাচলে এই বিপর্যয়ে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে মাণ্ডি জেলার থুনাগ অঞ্চল। বিদ্যুৎ, পানীয় জল সহ অন্যান্য জরুরি পরিষেবা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। মাণ্ডিতেই নিখোঁজ অন্তত ৪০ জন, এবং মৃতের সংখ্যা পৌঁছেছে ১৪-তে। ১৪টি সেতু, ১৫০টিরও বেশি বাড়ি, ১০৬টি গবাদি পশুর শেড, ৩১টি গাড়ি, ও ১৬৪টি গবাদি পশু ধ্বংস হয়েছে বা মারা গেছে।

[আরও পড়ুন:  College Reopening: বহিরাগত প্রবেশে ‘না’, একাধিক শর্তে খুলছে কসবা ল কলেজ]

রাজ্যে বিপর্যয় মোকাবিলা দল, পুলিশ ও হোমগার্ড-এর একাধিক দল উদ্ধার কাজে নিয়োজিত(Himachal Floods)। এখনও পর্যন্ত ৪০২ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে, যার মধ্যে ৩৪৮ জন মাণ্ডি জেলাতেই। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় ৫টি ত্রাণ শিবির খোলা হয়েছে এবং ভারতীয় বিমান বাহিনীর সাহায্যে থুনাগ ও জনঝেলি অঞ্চলে ২৪৬টি রেশন কিট প্যারাড্রপ করা হয়েছে। টানা বৃষ্টিতে রাজ্যে ২৪৬টি রাস্তা বন্ধ হয়ে পড়েছে, এর মধ্যে শুধু মাণ্ডিতেই ১৪৫টি। ৪০৪টি ট্রান্সফরমার এবং ৭৮৪টি জল সরবরাহ প্রকল্প বন্ধ হয়ে গেছে। মানালি-কেইলং রোড-এর কাছে সোলাং নাল্লায় ড্রেন প্লাবিত হওয়ায় রাস্তা বন্ধ হয়ে গেছে এবং রোতাং পাস দিয়ে ট্রাফিক ঘুরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

FB link: https://www.facebook.com/truthofbengal

শিমলার উপকণ্ঠে ধল্লিতে একটি বড় ধসের ঘটনা ঘটেছে। পাহাড়ের একটি বড় অংশ নেমে এলে কয়েকটি বাড়ি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে, তবে এই ঘটনায় কোন প্রাণহানির খবর মেলেনি(Himachal Floods)। সেইসঙ্গে লাগাতার ভারী বৃষ্টির জেরে কেইথলিঘাট-ধল্লি ফোর লেন রাস্তার একাংশ ভেঙে পড়েছে লিন্দিধার গ্রামে। যার ফলে প্রায় ছ’টি বাড়ি ঝুঁকিতে পড়ে এবং অনেক আপেল গাছ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। স্থানীয়রা দাবি করেছেন, আগেও নিরাপত্তা প্রাচীর ধসে পড়েছিল, কিন্তু ন্যাশনাল হাইওয়ে অথরিটি অফ ইন্ডিয়া তা মেরামত করেনি। থুনাগ এলাকায় নেটওয়ার্ক বিচ্ছিন্ন থাকায়, ডিপার্টমেন্ট অফ টেলিকমিউনিকেশন সেখানে ইন্ট্রা সার্কেল রোমিং চালু করেছে। পাশাপাশি জরুরি যোগাযোগের জন্য স্যাটেলাইট ফোন পাঠানো হয়েছে। হিমাচল প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী সুখবিন্দর সিং সুক্কু সামাজিক মাধ্যমে জানিয়েছেন, পরিস্থিতি মোকাবিলায় সবরকম প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে। চলছে উদ্ধারকাজ। বলা বাহুল্য, হিমাচল প্রদেশে প্রাকৃতিক বিপর্যয় ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। মৃত ও নিখোঁজের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। প্রশাসন, সেনা ও উদ্ধারকারী দল একযোগে কাজ করলেও দুর্গম এলাকায় পৌঁছানো এখনো বড় চ্যালেঞ্জ।

Related Articles