স্বাস্থ্য

টি ব্যাগ থেকে নীরবে শরীরে ঢুকছে ক্ষতিকর মাইক্রো প্লাস্টিকের কণা

চায়ের মাধ্যমে শরীরে ঢুকছে ক্ষতিকর মাইক্রো প্লাস্টিকের কণা

Truth of Bengal: বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় পানীয় হল চা। চায়ের কাপে কী আছে তা না ভেবেই অসংখ্য মানুষ দিনে অগুনতিবার চায়ের কাপে চুমুক দেন। চা তৈরির সময় কতক্ষণ ধরে চা জলে ফোটানো হচ্ছে, চায়ের জলের তাপমাত্রা কী রকম, চা পাতা কীরকম, গ্রিন টি না কালো চা, গুঁড়ো চা না পাতা চা, এসব বিষয়ের ওপর বেশি পরিমাণে গুরুত্ব দেওয়া হয়।
কিন্তু সাম্প্রতিক ১৯টি আলাদা আলাদা গবেষণা রিপোর্ট পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, চায়ের কাপ থেকে সোজা আপনার শরীরে ঢুকছে ক্ষতিকর ক্ষুদ্র প্লাস্টিকের কণা। গবেষকদের মতে, নানান রকম পদ্ধতিতে চায়ের মাধ্যমে শরীরে ঢুকছে ক্ষতিকর মাইক্রো প্লাস্টিকের কণা। তবে এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে টি ব্যাগ।

১টি গবেষণা রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, একটি টি ব্যাগ থেকে ১ কোটি ৪৭ লাখ থেকে ১ কোটি ৩০ লাখ মাইক্রো প্লাস্টিকের কণা শরীরে ঢোকে। Food Chemistry নামক জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে গবেষণা রিপোর্ট। ১ মাইক্রোমিটারের কম আয়তনের প্লাস্টিকের কণাকে বলা হয় ন্যানোপ্লাস্টিক। ১ মাইক্রোমিটার থেকে ৫ মিলিমিটার আয়তনের প্লাস্টিকের কণাকে বলা হয় মাইক্রো প্লাস্টিকের কণা। একটা চুলের চেয়েও সরু মাইক্রো প্লাস্টিকের কণা ও ন্যানো প্লাস্টিকের কণাকে বলা হয় এমএনপি।

চায়ের প্যাকেজিং, প্রসেসিং, চা ফোটানোর সময় এমনকি চায়ের কাপে চুমুক দেওয়ার সময় বাতাসের ধূলিকণা থেকেও প্লাস্টিকের কণা মিশে যেতে পারে শরীরে। গবেষকদের মতে, চায়ের কাপ কাগজের তৈরি বলে নিরাপদ বলে মনে করেন অনেকে। কিন্তু চায়ের কাপ তৈরি করতে অনেকে কাগজের সঙ্গে প্লাস্টিকের টুকরো মেশায় মজবুত করতে। অনেকে বায়োডিগ্রেডেবল উদ্ভিদজাত ফাইবারের সঙ্গে প্লাস্টিকের টুকরো মেশায়। তাই বায়োডিগ্রেডেবল বলে দাবি করা হলেও কাগজের তৈরি চায়ের কাপ প্লাস্টিকমুক্ত নয়।

Related Articles