হুমায়ুনের সঙ্গে ১০০০ কোটির ডিল! ভাইরাল ভিডিয়ো বিতর্কে কী সাফাই শুভেন্দুর?
মুসলিমদের বোকা বানিয়ে ভোট কাটার ছক? হুমায়ুনের ভিডিও ঘিরে তোলপাড় বাংলা, পালটা তদন্তের দাবি শুভেন্দুর।
Truth of Bengal: ভোটের মুখে ‘স্টিং অপারেশনে’র বোমা! আম জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রধান হুমায়ুন কবীরের একটি ভাইরাল ভিডিও ঘিরে রণক্ষেত্র বাংলার রাজনীতি। তৃণমূলের ফাঁস করা ওই ভিডিওতে হুমায়ুনকে বিজেপি নেতৃত্বের সঙ্গে গোপন আঁতাত এবং মুসলিম ভোট নিয়ে ছিনিমিনি খেলার চাঞ্চল্যকর দাবি করতে শোনা গিয়েছে। এই ইস্যুতে এবার মুখ খুলে পাল্টা রহস্য বাড়ালেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।
ভাইরাল ভিডিয়োতে (ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি Truth of Bengal) হুমায়ুনকে বলতে শোনা গিয়েছে, শুভেন্দু অধিকারী তাঁকে দিল্লি নিয়ে গিয়ে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে আলাপ করানোর প্রস্তাব দিয়েছেন। এমনকি পশ্চিমবঙ্গ বিজেপি সরকার গড়লে হুমায়ুনকে ‘উপমুখ্যমন্ত্রী’ করার টোপও দেওয়া হয়েছে বলে তাঁর দাবি। এই প্রসঙ্গে শুভেন্দু অধিকারী শুক্রবার সংবাদমাধ্যমকে বলেন, “আমার কথা ছেড়ে দিন। মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী এবং পিএমও-র (PMO) কথা বলা হয়েছে। মধ্যপ্রদেশ সরকারেরও উচিত এই নিয়ে বিশেষ তদন্তের নির্দেশ দেওয়া।” শুভেন্দুর এই মন্তব্য ঘিরে এখন নতুন জল্পনা শুরু হয়েছে।
#WATCH | Murshidabad, West Bengal: On the alleged links between AJUP and BJP, AJUP president Humayun Kabir says, “…what kind of preposterous claim are you making? Is the Prime Minister of India really such a weak figure that he would hand over Rs 1,000 crore to Humayun Kabir?… pic.twitter.com/sT6dgksECm
— ANI (@ANI) April 9, 2026
ভিডিয়োতে হুমায়ুনকে আরও বলতে শোনা গিয়েছে, ১০০০ কোটি টাকার একটি ‘ডিল’ হয়েছে যার মধ্যে ৩০০ কোটি তিনি নিজের জন্য রাখবেন। মুসলিম ভোটারদের ‘বোকা’ বানানো সহজ, এমন মন্তব্যও করতে শোনা গিয়েছে তাঁকে। এমনকি বাবরি মসজিদের আবেগ উসকে দিয়ে ভোট কাটার ছকও বাতলেছেন তিনি। তৃণমূল এই ভিডিয়োকে হাতিয়ার করে দাবি করেছে, বিজেপি আর হুমায়ুন তলে তলে এক হয়ে মুসলিম ভোট ভাগ করার চেষ্টা করছে।
যদিও এই সমস্ত অভিযোগকে ‘এআই (AI) প্রযুক্তির কারসাজি’ বলে উড়িয়ে দিয়েছেন হুমায়ুন কবীর। তাঁর পাল্টা প্রশ্ন, “আমি কি এমন শক্তিশালী কেউ যে মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী আমাকে টাকার অফার দেবেন? অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আর কুণাল ঘোষদের মাথা খারাপ হয়ে গিয়েছে।” তবে নির্বাচনের চূড়ান্ত লগ্নে এই অডিও-ভিডিওর লড়াই যে ভোটারদের মনে গভীর প্রভাব ফেলবে, তা বলাই বাহুল্য।






