জরুরি বৈঠকের পর বড় চমক! শিক্ষা মন্ত্রকের দায়িত্ব পেয়েই কী বার্তা দিলেন প্রহ্লাদ জোশী?
ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফা দেওয়ার পরদিনই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এক জরুরি বৈঠকে বসেন।
Truth of Bengal: ছাত্র আন্দোলন ও নিট বিতর্ক ঘিরে ব্যাপক চাপের মুখে পড়ে অবশেষে পদত্যাগ করেছেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। শনিবার সকালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে নিজের ইস্তফাপত্র পাঠিয়ে তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় জানান, দেশের শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ ও দুর্নীতিমুক্ত শিক্ষাব্যবস্থাই তাঁর কাছে সর্বাধিক অগ্রাধিকারের বিষয়। প্রথম থেকেই তিনি নিট প্রশ্নফাঁসের দায় স্বীকার করেছেন বলে জানান। তবে একই সঙ্গে তাঁর দাবি, ছাত্র আন্দোলনের আড়ালে কিছু দেশবিরোধী শক্তি অস্থিরতা তৈরির চক্রান্ত করছিল এবং সেই কুচক্রী মহল যাতে পরিস্থিতির সুযোগ নিতে না পারে, সেই কারণেই তিনি দেশের স্বার্থে সরি দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। শনিবার বিকেলেই রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু তাঁর এই পদত্যাগপত্র আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রহণ করেন।
ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফা দেওয়ার পরদিনই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এক জরুরি বৈঠকে বসেন। পরবর্তীতে বিজেপি সর্বভারতীয় সভাপতি নীতীন নবীনের সঙ্গেও আলোচনা করেন অমিত শাহ। শীর্ষ নেতৃত্বের এই বৈঠকেই ঠিক হয়, আপাতত দলের অন্যতম আস্থাভাজন নেতা ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রহল্লাদ জোশীকে শিক্ষামন্ত্রকের অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হবে। পরবর্তী সময়ে পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রিসভা রদবদলের সময় স্থায়ী শিক্ষামন্ত্রী নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে খবর।
গুরুত্বপূর্ণ এই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাওয়ার পর প্রথম প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন নবনিযুক্ত শিক্ষামন্ত্রী প্রহল্লাদ জোশী। তাঁর ওপর এই গভীর আস্থা রাখার জন্য প্রধানমন্ত্রী মোদিকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি জানান, অত্যন্ত বিনয়ের সঙ্গে তিনি এই দায়িত্ব গ্রহণ করছেন এবং সর্বোচ্চ নিষ্ঠার সঙ্গে নিজের কর্তব্য পালন করবেন। একই সাথে বিদায়ী শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ভূয়সী প্রশংসা করে জোশী বলেন, গত চার-পাঁচ বছরে জাতীয় শিক্ষানীতি (NEP 2020) সফলভাবে বাস্তবায়নসহ শিক্ষাক্ষেত্রে যেসব ঐতিহাসিক পরিবর্তন এসেছে, তার বড় কৃতিত্ব ধর্মেন্দ্র প্রধানেরই প্রাপ্য।





