দেশ

“এটা গণতন্ত্রের জয়!” ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার পর মুখ খুললেন সিজেপি প্রধান অভিজিৎ দীপক

শনিবার ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার খবর দিল্লির যন্তর মন্তরে পৌঁছাতেই আন্দোলনকারীদের উল্লাসে ফেটে পড়তে দেখা যায়

Truth of Bengal: কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদ থেকে ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের ঘটনাকে ‘গণতন্ত্রের ঐতিহাসিক জয়’ হিসেবে ঘোষণা করলেন ‘ককরোচ জনতা পার্টির’ (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। অনড় ছাত্র আন্দোলনের মুখে পড়ে সরকার অবশেষে নতিস্বীকার করতে বাধ্য হয়েছে উল্লেখ করে এই জয়ের সমস্ত কৃতিত্ব তিনি উৎসর্গ করেছেন দেশের প্রতিবাদী পড়ুয়া ও যুব সমাজকে। শনিবার ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার খবর দিল্লির যন্তর মন্তরে পৌঁছাতেই আন্দোলনকারীদের উল্লাসে ফেটে পড়তে দেখা যায়। দীর্ঘ লড়াই সফল হওয়ার আনন্দে চোখে জল চলে আসে আন্দোলনকারীদের অন্যতম মুখ অভিজিৎ দীপকের। অশ্রুসজল চোখে মঞ্চে দাঁড়িয়ে তিনি বলেন, “ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ প্রমাণ করে দিল—ভয় না পেয়ে যদি অন্যায়ের সামনে মাথা নত না করা যায়, তবে স্বৈরাচারী শক্তির কাছ থেকেও দাবি আদায় করে নেওয়া সম্ভব।”

নিট (NEET) পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস এবং শিক্ষাক্ষেত্রের নানা দুর্নীতির দায়ে শুরু থেকেই শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগে অনড় ছিল সিজেপি। এমনকি কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেপি নাড্ডার সঙ্গে দু’দফা বৈঠকেও নিজেদের অবস্থান থেকে একচুলও নড়েনি তারা। শনিবার তৃতীয় দফার বৈঠকের আগে সিজেপি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিল—শিক্ষামন্ত্রী ইস্তফা না দিলে আলোচনার কোনো অর্থই হয় না। সেই অচলাবস্থার মাঝেই সকালে আচমকা ইস্তফা দেন ধর্মেন্দ্র প্রধান।

বাধা-বিপত্তি সত্ত্বেও নিজের দাবিতে অনড় থেকে আন্দোলনের নেতৃত্ব দেওয়া অভিজিৎ এই জয়কে অহিংস সংগ্রামের বড় দৃষ্টান্ত হিসেবে তুলে ধরেন। আন্দোলনকারীদের জয়ধ্বনি ও স্লোগানের মাঝে আবেগপ্লুত হয়ে তিনি বলেন, “পরিস্থিতি যতই কঠিন হোক না কেন, আমরা পিছপা হইনি। মেধাবী শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ যাতে কোনো পরীক্ষা-মাফিয়া নষ্ট করতে না পারে এবং কারো প্রতি অবিচার না হয়, সেই বিষয়ে আমরা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ ছিলাম।”