রাজ্যের খবর

Identity Assault: ভাষা-ভিত্তিক ‘নির্যাতনের’ অভিযোগ, ওড়িশা থেকে কোচবিহারে ফিরলেন মিঠুন

A Bengali-speaking migrant from Koch Bihar alleges that Odisha police seized his ID documents and detained him for hours.

Truth Of Bengal: কোচবিহার: ডবল ইঞ্জিনের রাজ্য গুলিতে বাঙালি পরিযায়ী শ্রমিকদের ওপর আক্রমণ অব্যাহত রয়েছে। কখনও অসম, কখনও দিল্লি, হরিয়ানা, উত্তর প্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ বা ওড়িশা। গত কয়েক মাস ধরে একাধিক ঘটনা ঘটেছে দেশে। বাংলা ভাষায় কথা বললে বাংলাদেশী বলে দাগিয়ে দেওয়া হয়েছে(Identity Assault)। এমনকি বাংলাদেশে ‘পুশব্যাক’ করে দেওয়ার গুরুতর অভিযোগও সামনে আসে। আবারও সংবাদ শিরোনামে ডবল ইঞ্জিনের রাজ্য ওড়িশা। আবারও ওড়িশায় বাংলার পরিযায়ী শ্রমিককে হেনস্তার অভিযোগ। এক পরিযায়ী শ্রমিকের পরিচয়পত্র কেড়ে নেওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। উত্তরবঙ্গের কোচবিহারের বাসিন্দা মিঠুন বর্মন ওড়িশা পুলিশের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ এনেছেন। কোচবিহার জেলার ছোট শালবাড়ি এলাকার বাসিন্দা মিঠুন ওড়িশায় একটি বেসরকারি সংস্থায় কাজ করেন। সেখানকার পুলিশ তাঁর পরিচয়পত্র কেড়ে নিয়ে থানায় জোর করে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ।

[আরও পড়ুনঃ Jangalmahal: ঝাড়গ্রামে পুলিশের মানবিক স্পর্শ, “জঙ্গলমহলে পুলিশ ‘সহায়’–পরিকল্পনা]

শুধুমাত্র বাংলা ভাষায় কথা বলার জন্যই তাঁকে বাংলাদেশী চিহ্নিত করে হেনস্থা করা হয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছেন উত্তরবঙ্গের এই বাসিন্দা। প্রায় ৮-১০ ঘন্টা থানায় আটকে রেখে ওড়িশা পুলিশ হেনস্থা করেছে বলে অভিযোগ। ভারতীয় নাগরিকত্বের একাধিক প্রমাণ দেখানোর পরেও হেনস্থা থামেনি(Identity Assault)। কর্মরত অবস্থায় অফিসের আবাসন থেকে তাঁকে ধরে নিয়ে যাওয়া হয় বলে অভিযোগ। তাঁর কাছে থাকা দশ হাজার টাকা এবং মোবাইল কেড়ে নেয় ওড়িশা পুলিশ। ভারতীয় নাগরিকত্বের সমস্ত প্রমাণ গায়ের জোরে ‘জাল’ বলে চিহ্নিত করে তদন্তকারী অফিসার। মুশকিল আসান ‘দিদিকে বলো’।

FB POST: https://www.facebook.com/truthofbengal

ওড়িশা থেকে অবশেষে উত্তরবঙ্গের ঘরে ফিরেছেন মিঠুন। তার ঘরে ফেরার সমস্ত ব্যবস্থা করেছে মুখ্যমন্ত্রীর দফতর। ‘দিদিকে বলো’তে ফোন করার পর এই ঘরে ফেরার ব্যবস্থা করা হয় বলে জানিয়েছেন মিঠুনের পরিবার(Identity Assault)। উত্তরবঙ্গের এই যুবক জানান, গত ২৯ জুলাই বাংলায় কথা বলার জন্য তাকে বাংলাদেশী দাগিয়ে দেওয়া হয়। অফিসের আবাসন থেকে তাকে আটক করে নিয়ে যায় পুলিশ। ওড়িশার বিজেপি নেতাদের বিষয়টি জানানোর পরও কোন সাহায্য করেনি বলে অভিযোগ করেছেন মিঠুন। এই ঘটনার তীব্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন উত্তরবঙ্গের তৃণমূল নেতা পার্থপ্রতিম রায়। তিনি বলেন, যেভাবে বিজেপি বাঙালি বিদ্বেষী হয়ে উঠেছে তার যথাযথ উত্তর পাবে ২৬-এর বিধানসভা ভোটে। বাংলার মানুষ এর কড়া জবাব দেবে।