রাজ্যের খবর

রাতে নুপুড়ের ধ্বনি, দিনে ভিড়! বামাক্ষ্যাপার বংশধরদের কালীপুজার রহস্য জানেন?

সত্যেন মহন্ত, উত্তর দিনাজপুর:  ভারতীয় হিন্দু সাধক হিসাবে বাংলার বীরভূমের বামাক্ষ্যাপার এক পরিচিত নাম বলা হয়, তাঁর বংশধরের পুজো বলে খ্যাত উত্তর দিনাজপুর (North dinajpur) জেলার বন্দর আদি কালীবাড়ির শ্যামাপুজো। প্রায় পাঁচশো বছরের প্রাচীন এই কালীপুজোকে ঘিরে নানা কাহিনী কথিত আছে। তা জানতে যেতে হবে রায়গঞ্জ শহরে।

আরও পড়ুনঃ কালীপুজোর পরই নতুন স্পনসর আসতে পারে মহমেডানে

জানা যায়, পঞ্জাব প্রদেশের এক সাধু এসে পঞ্চমুন্ডির আসনে প্রথম দেবীর আরাধনা শুরু করেন। আবার এও শোনা যায় পুরাকালে ডাকাতদল এই বন্দর কালীমন্দিরে পুজো দিয়ে ডাকাতি করতে বের হতেন। আবার ডাকাতি শেষ করে মন্দিরে এসে পুজো দিতেন। তবে ১২২৬ বঙ্গাব্দে ওপার বাংলাদেশের দিনাজপুরের রাজা তারকনাথ রায়চৌধুরীর উদ্যোগেই নির্মান হয়েছিল রায়গঞ্জ বন্দর আদি সিদ্ধেশ্বরী কালীমন্দির। (North dinajpur)

লিঙ্কঃ https://www.facebook.com/truthofbengal

জানা যায়, সাধক বামাক্ষ্যাপার নির্দেশেই তাঁরই বংশধর জানকীনাথ চট্টোপাধ্যায় আসেন রায়গঞ্জের বন্দর আদি কালীমন্দিরে। তিনিই শুরু করেন এই মন্দিরের সেবাইতের কাজ। আজও বন্দর আদি কালীবাড়ির সেবাইত হিসেবে পুজো করে আসছেন সিদ্ধ যোগীপুরুষ তারা মায়ের পুজারী সাধক বামাক্ষ্যাপার বংশধরেরা। জানকিনাথ চট্টোপাধ্যায়ের পর বংশপরম্পরায় মদনমোহন চট্টোপাধ্যায়ের পুত্র মৃত্যুঞ্জয় চট্টোপাধ্যায় বন্দর আদি কালীমন্দিরে মায়ের সেবা করতেন।
বন্দর আদি কালীবাড়ির দীপাবলির রাতের পুজো নিয়ে ভক্তদের উন্মাদনা থাকে চোখে পড়ার মতো। হাজার হাজার পূন্যার্থী মনস্কামনা পূরনে পুজো দিতে আসেন এই মন্দিরে। এমনকি শুধুমাত্র উত্তর দিনাজপুর জেলাই নয়, রাজ্যের অন্যান্য প্রান্ত, ওপার বাংলা থেকেও দীপাবলির রাতে হাজার হাজার ভক্তের সমাগম হয় বন্দর আদি কালীমন্দিরে। (North dinajpur)

Related Articles