দেশ
ঘুষ দেননি, তাই টিকিটও দেননি লালু! ভেঙে পড়লেন RJD নেতা, ফাঁস গোপন কথা
এই সংক্রান্ত একাধিক ভিডিয়ো সমাজমাধ্যমে ভাইরাল পর্যন্ত হয়েছে এবং তা ঘিরে শুরু হয়েছে গোটা রাজ্যে আলোচনা।
Truth Of Bengal: আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন নিয়ে ভোটারদের উন্মাদনা তুঙ্গে বিহারে। তার উপর গোটা রাজ্য উত্তপ্ত একাধিক ইস্যুতে। এই পরিস্থিতিতে এবার সেখানে ঘটলো এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা। লালুপ্রসাদ যাদবের বাড়ির সামনে রাস্তায় তাঁর দলের এক নেতা নিজের জামা ছিঁড়ে শুয়ে পড়েন ও কান্নাকাটি শুরু করেন এবং জানান যে ঘুষ দেননি বলে দলের তরফ থেকে তাঁকে টিকিট দেওয়া হচ্ছে না। এই সংক্রান্ত একাধিক ভিডিয়ো সমাজমাধ্যমে ভাইরাল পর্যন্ত হয়েছে এবং তা ঘিরে শুরু হয়েছে গোটা রাজ্যে আলোচনা।
RJD leader Madan Shah breaks down outside Rabri Niwas.
He says – “Sanjay Yadav told me to pay ₹2.7 crore for ticket. When I refused to pay ticket was given to someone else.” pic.twitter.com/y1rn64U9yI
— News Arena India (@NewsArenaIndia) October 19, 2025
সেই আরজেডি নেতার নাম মদন শাহ। তাঁর দাবি, তাঁর টিকিট না পাওয়ার মূল কারণ তিনি টাকাপয়সা খরচ করেননি। তিনি অভিযোগের আঙ্গুল তোলেন দলের রাজ্যসভার সাংসদ সঞ্জয় যাদবের দিকে। এখানেই শেষ নয়, তিনি সঞ্জয় যাদবকে রীতিমতো ‘দালাল’ পর্যন্ত বলেন এবং দাবি করেন যে তাঁর থেকে টাকা চাওয়া হয়েছিল মধুবন কেন্দ্রের আসনের টিকিটের জন্য। ক্ষুব্ধ আরজেডি নেতাকে বলতে শোনা যায়, “দল গুরুত্ব দিচ্ছে না সৎ ও কাজের মানুষদের। এখন যাদের কাছে টাকার জোর আছে, তাদেরকেই গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।” একটি ভিডিওয়ে দেখা যাচ্ছে যে তিনি ধাওয়া করছেন লালুর গাড়িকে। তবে পুলিশ ভেতরে যেতে দেননি তাঁকে।
VIDEO | Patna: Former RJD candidate Madan Shah break down outside RJD chief and former Bihar CM Lalu Prasad Yadav’s residence.
He said, “Lalu Prasad Yadav promised to give me a ticket for the Bihar Assembly Elections 2025… RJD leader Sanjay Yadav had demanded ₹2.7 crore, and… pic.twitter.com/zXW1eBbZ8g
— Press Trust of India (@PTI_News) October 19, 2025
ভাইরাল ভিডিয়ো নিয়ে এই মুহূর্তে বিহারের জোরদার আলোচনা চলছে। সমালোচনা ধেয়ে আসছে লালু-তেজস্বীদের দিকে। অনেকে অনেকরকম কথা বলছেন। কেউ মনে করছেন মদন শাহ মিথ্যা বলছেন। আবার অনেকের মতে, আরজেডি নেতা সঞ্জয় যাদবকে এর জন্য দোষারোপ করেছেন। তবে এই বিষয়টি যে দলের অস্বস্তি বাড়িয়েছে, তা না বললেও চলে। দোরগোড়ায় ভোট আর তার আগে এমন ঘটনা ঘটা একেবারে যে ভালো লক্ষণ নয়, তা অজানা নয় কোনও দলেরই। সেক্ষেত্রে নজর থাকবে যে কিভাবে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া হয় আরজেডির তরফ থেকে।






