ভিড়ভাট্টা এড়িয়ে কাঞ্চনজঙ্ঘার প্যানোরমিক ভিউ! এবারের ছুটিতে আপনার গন্তব্য হোক চাটাইধুরা
কার্শিয়াং থেকে মাত্র কয়েক কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই ছোট্ট পাহাড়ি গ্রাম
Truth of Bengal: শহুরে নাগরিক কোলাহল, ভিড়ভাট্টা এড়িয়ে নির্মল প্রাকৃতিক পরিবেশে ফ্রেশ অক্সিজেনের খোঁজ করছেন? আপনার গন্তব্য হতে পারে কার্শিয়াংয়ের ছোট্ট পাহাড়ি গ্রাম চাটাইধুরা। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৬ হাজার ৯৫৬ ফুট উঁচুতে অবস্থিত চাটাইধুরা থেকে দার্জিলিংয়ের দূরত্ব ১৮ কিলোমিটার। কার্শিয়াং থেকে মাত্র কয়েক কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই ছোট্ট পাহাড়ি গ্রামের মূল আকর্ষণ হল আদিম, অকৃত্রিম অনাবিল প্রাকৃতিক সৌন্দর্য। একদিকে ঘন পাইন, ওকের জঙ্গল, অন্যদিকে ধাপে ধাপে পাহাড় কেটে নেমেছে চাষের ক্ষেত। এখানে মেঘেরা ‘গাভীর মতো চড়ে’।
আকাশ মেঘমুক্ত পরিষ্কার থাকলে কাঞ্চনজঙ্ঘা পাহাড় দেখা জীবনের এক স্মরণীয় অভিজ্ঞতা। চাটাইধুরায় রয়েছে একটি অপূর্ব সুন্দর শিবমন্দির। এখান থেকে ঘুরে আসা যায় ঘুম মনেস্ট্রি, ঘুম রেলস্টেশন, টাইগার হিল এবং হিমালয়ান মাউন্টেনিয়ারিং ইন্সটিটিউট। হাওয়া ঘর ভিউ পয়েন্ট থেকে গোটা চাটাইধুরার প্যানোরমিক ভিউ চাক্ষুষ করা যায়। ট্রেকিং ও হাইকিং পছন্দ করলে পাহাড়ি জঙ্গলের আঁকাবাঁকা পথ পেরিয়ে ঘুরে আসতে পারেন। নাম না জানা নানান প্রজাতির পাখির কলরবে সময় কোথা দিয়ে কেটে যাবে টেরই পাবেন না। চাটাইধুরায় রয়েছে বেশ কয়েকটি চা বাগান। চা বাগানের শ্রমিকদের কাজকর্ম, জীবনযাত্রা কাছ থেকে দেখতে পাবেন। চাটাইধুরা থেকে ঘুরে দেখা যায় ডাওহিল, কার্শিয়াং টাউন, বাগোরা, চিমনি।
কীভাবে যাবেন, কোথায় থাকবেন এবং বেড়ানোর আদর্শ সময় কখন
চাটাইধুরায় হোটেল নেই। কিন্তু কাঠের তৈরি হোম স্টেতে থাকতে পারেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের খাওয়াদাওয়া, সংস্কৃতি, জীবনযাপন চাক্ষুষ করতে পারেন। শিলিগুড়ি বা নিউ জলপাইগুড়ি থেকে চাটাইধুরার দূরত্ব প্রায় ৫০-৫৫ কিলোমিটার। শিলিগুড়ি বা নিউ জলপাইগুড়ি থেকে গাড়ি ভাড়া করে পৌঁছে যাওয়া যায় চাটাইধুরা। সময় লাগে ঘণ্টা ২-৩। বছরের যে কোনো সময় চাটাইধুরায় আসা যায়। অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর মাস সেরা সময় কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখার জন্য। মার্চ-এপ্রিলে গেলে রডোডেনড্রন ফুলের শোভা উপভোগ করতে পারেন।






