Gulma Tourism: প্রকৃতির সান্নিধ্যে নিরিবিলিতে কাটানোর আদর্শ ঠিকানা গুলমা
দূষণমুক্ত শান্ত নিরিবিলি পরিবেশ মন কাড়ে। চা বাগান ঘেঁষা গুলমা যেন প্রকৃতির নিজের হাতে আঁকা ক্যানভাসে কোনো রঙিন ছবি
Truth of Bengal: কর্মব্যস্ত জীবন থেকে ছুটি নিয়ে কয়েকটা দিন প্রকৃতির সান্নিধ্যে দুদণ্ড নিরালায় কাটানোর আদর্শ ঠিকানা হল গুলমা। শিলিগুড়ি থেকে মাত্র ১৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত ছবির মতো সাজানো গ্রাম গুলমা। একদিকে রয়েছে মহানন্দা অভয়ারণ্যের ঘন সবুজ জঙ্গল। পাশে রয়েছে গুলমা রেল স্টেশন। মাঝখান দিয়ে কুলকুল শব্দ করে বয়ে চলেছে মহানন্দা ও গুলমাখোলা নদী। দূরে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে পাহাড়। দূষণমুক্ত শান্ত নিরিবিলি পরিবেশ মন কাড়ে। চা বাগান ঘেঁষা গুলমা যেন প্রকৃতির নিজের হাতে আঁকা ক্যানভাসে কোনো রঙিন ছবি (Gulma Tourism)।
প্রায়ই মহানন্দা অভয়ারণ্য থেকে বেরিয়ে আসা বুনো হাতি, চিতাবাঘ, নানান বন্য প্রাণী, নানান প্রজাতির পাখি ও কীটপতঙ্গর দেখা মেলে। হাতিদের করিডর হওয়ায় প্রায়ই হাতি মৃত্যুর খবর শোনা যায় গুলমা স্টেশনকে কেন্দ্র করে। গুলমায় মহানন্দা নদীর তীরে আসলে কোথা দিয়ে সময় কেটে যাবে বুঝতেই পারবেন না। বর্ষার জলে পুষ্ট মহানন্দা ফুলে ফেঁপে ওঠে বর্ষাকালে। শীতে ও গরমে একেবারে রুখাশুখা চেহারা হয় (Gulma Tourism)।
Truth of Bengal fb page: https://www.facebook.com/truthofbengal
গুলমায় আসলে চা বাগান ও মহানন্দা অভয়ারণ্যের কোলে খয়রানি বস্তিতে হোম স্টেতে থাকুন। দিনের বেলার চেয়ে রাতও আরো মায়াবী। পূর্ণিমায় চাঁদের আলোয় রূপালি চাদরে ঢেকে যায় চারপাশ। দূরে কার্শিয়াংকে দেখলে মনে হবে এক ঝাঁক জোনাকি। নিউ জলপাইগুড়ি থেকে গুলমা মাত্র ১৭ কিলোমিটার দূরে (Gulma Tourism)।






