মন হারানোর ঠিকানা দক্ষিণবঙ্গর ডুয়ার্স ‘সুতান’
বিভিন্ন রকমের ফুল,গাছপালা ও বিভিন্ন প্রজাতির পশুপাখির দেখা মেলে।
Truth of Bengal: দক্ষিণবঙ্গর দোরগোড়ায় হাজির বর্ষা। বর্ষায় নিরিবিলি পরিবেশে প্রিয়জনের সঙ্গে কাটাতে চাইলে আপনার গন্তব্য হতে পারে বাঁকুড়ার সুতান ফরেস্ট। মন জুড়িয়ে যাবে। সুতান ফরেস্টকে দক্ষিণবঙ্গর ডুয়ার্স মনে করা হয়।
বর্ষায় দক্ষিণবঙ্গর সবুজ প্রকৃতিকে চাক্ষুষ করতে হলে যেতে পারেন বাঁকুড়ার অফবিট পর্যটন কেন্দ্র সুতান ফরেস্ট। ১২ মাইল জঙ্গলের মধ্যে পাহাড়ের কোলে অবস্থিত সুতান। সুতানের জঙ্গল বাঁকুড়ার ঝিলিমিলি বনাঞ্চলের অন্তর্গত এলাকায় রয়েছে। ঝিলিমিলি রেঞ্জের ৭ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত সুতান হ্রদ।
বিভিন্ন রকমের ফুল,গাছপালা ও বিভিন্ন প্রজাতির পশুপাখির দেখা মেলে। ভাগ্য সুপ্রসন্ন থাকলে রাস্তায় পেখম মেলে থাকা ময়ূরের দর্শন হতে পারে। দুয়ারসিনি হয়ে দালমা ফরেস্ট রেঞ্জের সঙ্গে সংযুক্ত সুতান ফরেস্ট। এখান থেকে সহজে ঘুরে আসা যায় সুতান পাহাড়, অম্বিকানগর রাজবাড়ি, তালবেরিয়া লেক, মুকুটমণিপুর, পরেশনাথ ইত্যাদি। রানিবাঁধ-ঝিলিমিলি রোডের ওপর সুতান ফরেস্টের ভেতরে ৮ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত আদিবাসী গ্রাম হল সুতান ফরেস্ট। সাঁওতাল, ভূমিজ, মুন্ডার মতো বিভিন্ন আদিবাসী গোষ্ঠীর বাস এই গ্রামে।
কীভাবে যাবেন?
খড়গপুর থেকে ১২৭ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত সুতান ফরেস্ট। রাজ্য সড়ক ৫ হয়ে পৌঁছে যাওয়া যায় সুতান ফরেস্ট। কলকাতা থেকে ২৪৪ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত সুতান ফরেস্ট। ১৬ নম্বর জাতীয় সড়ক হয়ে পৌঁছে যাওয়া যায় সুতান ফরেস্ট। বাঁকুড়া থেকে সড়কপথে ৬০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত সুতান ফরেস্ট।






