পাক সেনাকে পরাস্ত করার ২৬ বছর! কারগিল বিজয় দিবসে জওয়ানদের সাহসিকতাকে কুর্নিশ প্রধানমন্ত্রীর
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ প্রধানমন্ত্রী লেখেন, প্রতিকূল পরিস্থিতিতে ভারতীয় সেনার অসামান্য সাহস ও কর্তব্যবোধ চিরকাল দেশের গর্ব হয়ে থাকবে এবং তাঁদের এই দেশপ্রেম আগামী প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে।
Truth of Bengal: আজ ২৬ জুলাই, সমগ্র দেশজুড়ে পরম শ্রদ্ধায় পালিত হচ্ছে ২৬তম ‘কারগিল বিজয় দিবস’। ১৯৯৯ সালের এই দিনে পাকিস্তানি অনুপ্রবেশকারীদের হটিয়ে লাদাখের কারগিল সেক্টরে দেশের তেরঙ্গা উড়িয়েছিল ভারতীয় সেনাবাহিনী। সেই ঐতিহাসিক জয়কে স্মরণ করে এবং মাতৃভূমির রক্ষায় প্রাণ উৎসর্গকারী বীর শহিদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ প্রধানমন্ত্রী লেখেন, প্রতিকূল পরিস্থিতিতে ভারতীয় সেনার অসামান্য সাহস ও কর্তব্যবোধ চিরকাল দেশের গর্ব হয়ে থাকবে এবং তাঁদের এই দেশপ্রেম আগামী প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে। রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুও বীর জওয়ানদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে উল্লেখ করেন যে, শহিদদের অতুলনীয় বীরত্ব ও সংকল্প দেশের সশস্ত্র বাহিনীর গৌরবময় ঐতিহ্যকেই প্রতিফলিত করে।
On Kargil Vijay Diwas, our nation expresses gratitude to the brave soldiers for their extraordinary courage and commitment towards securing India. Their valour in the face of the most formidable conditions will forever remain a source of national pride. Their unwavering…
— Narendra Modi (@narendramodi) July 26, 2026
উল্লেখ্য, ১৯৯৯ সালের মে মাস থেকে শুরু হওয়া এই রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ চলেছিল দু’মাসেরও বেশি সময় ধরে। পাকিস্তানের পরিকল্পিত অনুপ্রবেশের জবাবে ‘অপারেশন বিজয়’-এর মাধ্যমে জবাব দেয় ভারত। যুদ্ধ শেষে ২৬ জুলাই চূড়ান্ত জয় ঘোষিত হয়। এই যুদ্ধে ভারতের ৫২৭ জন বীর সেনানী শহিদ হন এবং ১,৩৬৩ জন আহত হন। অন্যদিকে, পাকিস্তানের ৪০০-রও বেশি সেনা নিহত হয়েছিল।
এই কারগিল যুদ্ধের ঠিক পূর্বেই তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী অটলবিহারী বাজপেয়ী দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের বরফ গলাতে ঐতিহাসিক ‘লাহোর বাস পরিষেবা’ (সদা-এ-সরহদ) শুরু করেছিলেন। তবে বাজপেয়ী ও তৎকালীন পাক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের শান্তি প্রচেষ্টায় জল ঢেলে দেন তৎকালীন উচ্চাকাঙ্ক্ষী পাক সেনাপ্রধান পারভেজ মুশারফ। তাঁর চক্রান্তে লাদাখে যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি হলেও শেষ পর্যন্ত ভারতীয় সেনার পরাক্রমের সামনে নতি স্বীকার করতে বাধ্য হয় পাকিস্তান।






