Kolkata Metro: ভাইফোঁটার দিনে কাটছাঁট কলকাতা মেট্রো পরিষেবায়! ব্লু ও গ্রিন লাইনে ট্রেনের সংখ্যা কমাল কর্তৃপক্ষ
উৎসবের মরসুমে বহু যাত্রী এক স্থান থেকে অন্য স্থানে যাতায়াত করলেও, যাত্রীসংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম থাকার কারণ দেখিয়ে ব্লু লাইন এবং গ্রিন লাইনে ট্রেনের সংখ্যা সীমিত করার কথা ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ।
Truth of Bengal: আজ, বৃহস্পতিবার, ভাইফোঁটার দিন উপলক্ষে কলকাতা মেট্রো রেল (Kolkata Metro) তাদের পরিষেবায় আংশিক কাটছাঁট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। উৎসবের মরসুমে বহু যাত্রী এক স্থান থেকে অন্য স্থানে যাতায়াত করলেও, যাত্রীসংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম থাকার কারণ দেখিয়ে ব্লু লাইন এবং গ্রিন লাইনে ট্রেনের সংখ্যা সীমিত করার কথা ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ। তবে ইয়েলো (Yellow), অরেঞ্জ (Orange) ও পার্পল (Purple) লাইনে পরিষেবা স্বাভাবিক থাকবে। পরিবর্তিত সূচি অনুযায়ী, ব্লু লাইনে (দক্ষিণেশ্বর-নিউ গড়িয়া) মোট ১৮২টি পরিষেবা (আপ ৯১ এবং ডাউন ৯১) চালানো হবে, যা অন্য দিনের ২৭২টির তুলনায় যথেষ্ট কম। এই লাইনে প্রথম ট্রেন ছাড়বে সকাল ৬টা ৫০ মিনিটে (নোয়াপাড়া থেকে শহীদ ক্ষুদিরাম পর্যন্ত)। শেষ ট্রেন দক্ষিণেশ্বর থেকে শহীদ ক্ষুদিরামের উদ্দেশে রওনা দেবে রাত ৯টা ২৮ মিনিটে। সময়সূচির সময়কালে কোনো পরিবর্তন করা হয়নি।
গ্রিন লাইনে (হাওড়া ময়দান-সল্টলেক সেক্টর ফাইভ) আজ ১৪৮টি পরিষেবা (আপ ৭২ এবং ডাউন ৭২) চলবে, যা সাধারণ দিনের তুলনায় কম। প্রথম ট্রেন হাওড়া ময়দান থেকে সল্টলেক সেক্টর ফাইভের উদ্দেশে সকাল ৬টা ৩০ মিনিটে এবং সল্টলেক সেক্টর ফাইভ থেকে হাওড়া ময়দানের উদ্দেশে সকাল ৬টা ৩২ মিনিটে ছাড়বে। এই লাইনের প্রথম ট্রেনের সময় সাধারণ দিনের তুলনায় সাত মিনিট এগিয়ে আনা হয়েছে। শেষ ট্রেন হাওড়া ময়দান থেকে রাত ৯টা ৪৫ মিনিটে এবং সল্টলেক সেক্টর ফাইভ থেকে রাত ৯টা ৪৭ মিনিটে ছাড়বে।
মেট্রো কর্তৃপক্ষ উৎসবের কারণে পরিষেবা কমানোর যুক্তি দিলেও, ব্লু লাইনে সাম্প্রতিককালে পরপর যান্ত্রিক গোলযোগের ঘটনায় যাত্রীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে। কয়েক দিন আগেই দমদম থেকে ময়দান পর্যন্ত সাময়িকভাবে পরিষেবা বন্ধ হয়ে গিয়েছিল যান্ত্রিক সমস্যার কারণে। এর আগেও কালীঘাট মেট্রো স্টেশনে প্রায় দশ মিনিটের জন্য যাত্রীরা দুর্ভোগের শিকার হয়েছিলেন। বারবার এই যান্ত্রিক ত্রুটির ঘটনায় নিত্যযাত্রীরা অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তাঁদের অভিযোগ, “এইভাবে মাঝে-মাঝেই এক স্টেশন তো অন্য স্টেশনে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দিচ্ছে। এটা ভীষণই বিরক্তিকর। প্রতিবার গন্তব্যে পৌঁছতে দেরি হয়ে যাচ্ছে ঠিক এই কারণেই।” যাত্রীদের দাবি, উৎসবের মরসুমে যেখানে নির্বিঘ্ন পরিষেবা আশা করা হয়, সেখানে এমন সমস্যা এবং পরিষেবার সংখ্যা হ্রাস তাঁদের ভোগান্তি আরও বাড়িয়ে তুলবে।






