Nepal: ফেসবুক-ইউটিউব-হোয়াটসঅ্যাপ সহ একাধিক সোশ্যাল মিডিয়ায় নিষেধাজ্ঞা নেপালে
নেপাল টেলিকমিউনিকেশন অথরিটি (এনটিএ)-কে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যে সব সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিবন্ধন করতে ব্যর্থ হয়েছে
Truth of Bengal: অবশেষে কঠোর পদক্ষেপ নিল নেপাল সরকার। ফেসবুক, ইউটিউব, হোয়াটসঅ্যাপ, এক্স (টুইটার) সহ একাধিক বড় সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হল দেশে। বৃহস্পতিবার (৪ সেপ্টেম্বর) যোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রকের নির্দেশে নেপাল টেলিকমিউনিকেশন অথরিটি (এনটিএ)-কে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যে সব সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিবন্ধন করতে ব্যর্থ হয়েছে, তাদের পরিষেবা বন্ধ করে দিতে হবে (Nepal)।
আরও পড়ুনঃ Saokat Molla: ঘটকপুকুরে সওকত মোল্লার গাড়ি ঘিরে ‘চোর’ স্লোগান
এই সিদ্ধান্ত আসে নেপালের সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পর। আদালত জানিয়েছিল, দেশের ভেতরে কিংবা বাইরে—যে কোনও অনলাইন বা সোশ্যাল নেটওয়ার্ক প্ল্যাটফর্ম চালাতে হলে আগে সরকারিভাবে নিবন্ধন করতে হবে। এর মূল উদ্দেশ্য, অনাকাঙ্ক্ষিত কনটেন্টের ওপর নজরদারি করা। মন্ত্রকের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, গত ২৮ আগস্ট থেকে সাত দিনের সময়সীমা দেওয়া হয়েছিল প্ল্যাটফর্মগুলিকে। বুধবার রাতেই সেই সময়সীমা শেষ হয়। কিন্তু মেটা (ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, হোয়াটসঅ্যাপ), অ্যালফাবেট (ইউটিউব), এক্স (টুইটার), রেডিট ও লিংকডইনের মতো আন্তর্জাতিক সোশ্যাল মিডিয়া সংস্থাগুলি কোনও আবেদন জমা দেয়নি (Nepal)।
অন্যদিকে, টিকটক, ভাইবার, উইটক, নিম্বাজ় এবং পপো লাইভ ইতিমধ্যেই তালিকাভুক্ত হয়েছে। এছাড়া টেলিগ্রাম ও গ্লোবাল ডায়েরি আবেদন করেছে, যেগুলির অনুমোদন এখনও প্রক্রিয়াধীন। যোগাযোগ মন্ত্রকের মুখপাত্র গজেন্দ্র কুমার ঠাকুর জানিয়েছেন, “তালিকাভুক্ত পাঁচটি এবং অনুমোদনের অপেক্ষায় থাকা দু’টি প্ল্যাটফর্ম বাদে বাকিগুলি নেপালে বন্ধ করে দেওয়া হবে। যে কোনও সংস্থা নিবন্ধন সম্পূর্ণ করলে, সেদিনই পুনরায় চালু করে দেওয়া হবে।”
Truth of Bengal fb page: https://www.facebook.com/truthofbengal
বুধবারের বৈঠকে চূড়ান্ত হয় এই সিদ্ধান্ত। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন যোগাযোগ মন্ত্রক, এনটিএ, টেলিকম সংস্থা ও ইন্টারনেট পরিষেবা প্রদানকারীদের প্রতিনিধিরা। বৈঠক পরিচালনা করেন মন্ত্রী পৃথ্বী সুব্বা গুরুঙ। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার রাত ১২টা থেকে নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে। তবে সরকারের এই পদক্ষেপ ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া শুরু হয়েছে। নেপালের প্রধান বিরোধী দল ‘কমিউনিস্ট পার্টি অব নেপাল (মাওবাদী সেন্টার)’–এর প্রধান হুইপ হিত রাজ পান্ডে জানিয়েছেন, “এ ধরনের সিদ্ধান্ত আপত্তিজনক। সোশ্যাল মিডিয়া বন্ধ হয়ে গেলে দেশ জুড়ে বিশৃঙ্খলা দেখা দিতে পারে (Nepal)।”






