রাজ্যের খবর

Saokat Molla: ঘটকপুকুরে সওকত মোল্লার গাড়ি ঘিরে ‘চোর’ স্লোগান

তৃণমূল বিধায়কের এই মন্তব্যের পাল্টা জবাব দিয়েছেন আইএসএফ নেতা আব্দুল মালেক।

Truth Of Bengal: ঘটকপুকুরে তৈরি হল উত্তপ্ত রাজনৈতিক পরিস্থিতি। ফুরফুরা শরিফের পীরজাদা ও আইএসএফ নেতা আব্বাস সিদ্দিকির একটি কর্মসূচি চলাকালীন, ক্যানিং পূর্বের তৃণমূল বিধায়ক সওকত মোল্লার গাড়ি ঘিরে ‘চোর’ স্লোগান তোলেন কিছুজন। অভিযোগ, এই ঘটনা আইএসএফ কর্মী ও সমর্থকদের দ্বারা সংঘটিত।(Saokat Molla)

[আরও পড়ুনঃ মর্মান্তিক! মাটির দেওয়াল চাপা পড়ে মৃত মা ও দুই মেয়ে]

এই ঘটনার কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়ে সওকত মোল্লা বলেন, “নৌশাদ সিদ্দিকিকে এটুকু বলব, আব্বাসকে এই কথা বলব—খেলা তুমি শুরু করলে, শেষটা কিন্তু আমরা করব। তুমি যদি আমার দিকে ঢিল ছোড়ো, আমি নিশ্চয়ই তোমার দিকে রসগোল্লা ছুঁড়ব না। এটা অন্তত তোমার মনে রাখা উচিত। তুমি যে ভাঙড়ে আগুন জ্বালাতে চাইছ, আমরা সেই আগুনে ঘৃতাহুতি দেব না। বরং জল ঢেলে সেই আগুনকে নিভিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করব।”(Saokat Molla)

তিনি আরও জানান, এই ঘটনার প্রতিবাদে আগামী ৭ সেপ্টেম্বর ভাঙড় বিধানসভা এলাকায় তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে একটি ঐতিহাসিক প্রতিবাদ মিছিল অনুষ্ঠিত হবে।

তৃণমূল বিধায়কের এই মন্তব্যের পাল্টা জবাব দিয়েছেন আইএসএফ নেতা আব্দুল মালেক। তিনি বলেন, “ভিড়ের মধ্যে নিজে ঢুকে যাওয়া একধরনের প্ররোচনা। অশান্তি তৈরির উদ্দেশ্যে এটা করা হয়েছে। বুদ্ধিমান ও শান্তিপ্রিয় মানুষ কখনও এভাবে উসকানি দেয় না। যারা সত্যিই শান্তি বজায় রাখতে চায়, তারা এধরনের কাজ করবে না।”(Saokat Molla)

এই রাজনৈতিক উত্তেজনার মাঝেই ঘটেছে এক মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। গত মঙ্গলবার সকাল ১১টা নাগাদ, ঘটকপুকুর থেকে সায়েন্স সিটির দিকে যাচ্ছিল ক্যানিং পূর্বের তৃণমূল বিধায়ক সওকত মোল্লার কনভয়। কলকাতা লেদার কমপ্লেক্স থানা এলাকার বামনঘাটা সংলগ্ন অঞ্চলে বিধায়কের কনভয়ে থাকা কলকাতা পুলিশের একটি পাইলট গাড়ি আচমকা নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টো দিকের লেনে ঢুকে পড়ে এবং একটি বাইককে সজোরে ধাক্কা মারে।

FB POST: https://www.facebook.com/truthofbengal

প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, গাড়ির ধাক্কা এতটাই শক্তিশালী ছিল যে বাইক আরোহী গাড়ির উপরে ছিটকে পড়েন। এরপর গাড়িটি একটি লাইটপোস্টে ধাক্কা মেরে দুমড়ে-মুচড়ে যায়। আহত বাইক আরোহী, মহম্মদ তাজউদ্দিন (৪৭),-কে দ্রুত এসএসকেএম হাসপাতালের ট্রমা কেয়ার সেন্টারে নিয়ে যাওয়া হলে কিছুক্ষণের মধ্যেই চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

এই ঘটনায় ক্ষোভে ফেটে পড়েছে মৃতের পরিবার। তাদের প্রশ্ন, “সাধারণ মানুষ ট্রাফিক আইন ভাঙলে সঙ্গে সঙ্গে মামলা হয়, কিন্তু বিধায়কের কনভয়ে থাকা, রেজিস্ট্রেশন বাতিল ও ফিটনেসের মেয়াদ ফুরোনো গাড়ি কীভাবে রাস্তায় চলতে পারল?” তারা আরও জানতে চেয়েছেন, “দুর্ঘটনাস্থলের কাছে রুবি জেনারেল হাসপাতাল থাকা সত্ত্বেও কেন আশঙ্কাজনক অবস্থায় রোগীকে সরকারি হাসপাতালে ঘোরানো হল?”

Related Articles