Maoist Ceasefire: প্রথমবার শান্তি আলোচনায় রাজি মাওবাদীরা, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে প্রস্তাব
জনযুদ্ধ গোষ্ঠী ও নকশাল আন্দোলনের প্রেক্ষিতে এটাই প্রথমবার, যখন মাওবাদীরা স্বেচ্ছায় সংঘর্ষ বিরতির কথা ঘোষণা করে শান্তি আলোচনায় রাজি হয়েছে।
Truth of Bengal: সশস্ত্র সংগ্রাম থেকে সাময়িকভাবে সরে এসে শান্তি আলোচনার আহ্বান জানাল ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মাওবাদী)। এক বিবৃতিতে তারা কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করার অনুরোধ জানিয়েছে। সংগঠনের তরফে দাবি করা হয়েছে, শান্তি আলোচনার জন্য সশস্ত্র সংগ্রামে বিরতি প্রয়োজন। এজন্য তারা এক মাসের ‘যুদ্ধবিরতি’ ঘোষণার আবেদন করে নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযান স্থগিত রাখতে বলেছে। বলা বাহুল্য, জনযুদ্ধ গোষ্ঠী ও নকশাল আন্দোলনের প্রেক্ষিতে এটাই প্রথমবার, যখন মাওবাদীরা স্বেচ্ছায় সংঘর্ষ বিরতির কথা ঘোষণা করে শান্তি আলোচনায় রাজি হয়েছে। তার জন্য অভ্যন্তরীণ আলোচনার সময় চেয়েছে তারা (Maoist Ceasefire)।
আরও পড়ুনঃ Drug Arrest: বিপুল পরিমাণ লিকুইড ড্রাগস সহ গ্রেপ্তার কুখ্যাত দুষ্কৃতী রবীন্দ্র যাদব
বিবৃতিতে মাওবাদীরা জানিয়েছে, তারা আগেও আলোচনার উদ্যোগ নিয়েছিল। প্রয়াত নাম্বালা কেশব রাও শান্তি আলোচনার সূচনা করেছিলেন, সেই প্রচেষ্টা এগিয়ে নিয়ে যেতে তারা আবার আলোচনায় বসতে আগ্রহী। সংগঠনটি স্পষ্ট জানায়, আমরা জনসাধারণের স্বার্থে লড়াই করা অন্যান্য রাজনৈতিক দল ও সংগঠনের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করতে প্রস্তুত। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বা তাঁর প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনায় বসতে আমরা রাজি। দেশের বিভিন্ন রাজ্যে থাকা আমাদের সহকর্মীদের সঙ্গে আলোচনা শুরু করার জন্য এক মাস সময় দেওয়া হোক। আলোচনার প্রক্রিয়া নিয়েও তারা প্রস্তাব দিয়েছে। প্রাথমিকভাবে ভিডিও কলের মাধ্যমে আলোচনা শুরু করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। তবে তারা সরকারের কাছ থেকে আনুষ্ঠানিক যুদ্ধবিরতির ঘোষণা চেয়েছে (Maoist Ceasefire)।
Truth of Bengal fb page: https://www.facebook.com/share/1GbdnH1jqc/
অন্যদিকে ছত্তিশগড় সরকারের বক্তব্য, বিবৃতির সত্যতা যাচাই চলছে। উপমুখ্যমন্ত্রী বিজয় শর্মা বলেন, ‘এমন যুদ্ধের পরিস্থিতি তৈরি হয়নি, তাই এই সংঘর্ষবিরতির দাবি আপত্তিকর।’ তিনি জানান, যাচাইয়ের পর কেন্দ্রের সঙ্গে আলোচনা হবে। পাশাপাশি তিনি মাওবাদীদের আত্মসমর্পণ করে পুনর্বাসনের সুবিধা গ্রহণের পরামর্শ দিয়েছেন। উল্লেখ্য, সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ মাওবাদী নির্মূলের বার্তা দিয়েছেন। দেশব্যাপী তল্লাশি অভিযান চলছে। আধাসেনা ও পুলিশের যৌথ অভিযানে প্রায় প্রতিদিনই কোনও না কোনও মাও নেতার মৃত্যুর খবর মিলছে। এই পরিস্থিতিতে মাওবাদীদের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব নতুন আলোচনার পথ খুলে দিতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা (Maoist Ceasefire)।






