দেশ

যুদ্ধ নয়, আলোচনাই পথ! দিল্লি ঘোষণাপত্রে একমত ব্রিকস

বিশেষভাবে নজর কেড়েছে ইরান ও সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর একই অবস্থানে আসা।

Truth of Bengal: পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধের আবহের মধ্যেই দিল্লির ব্রিকস সম্মেলনে গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক ঐকমত্য তৈরি হয়েছে। মতপার্থক্য সত্ত্বেও দিল্লি ঘোষণাপত্রে একমত হয়েছে সদস্য দেশগুলি। বিশেষভাবে নজর কেড়েছে ইরান ও সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর একই অবস্থানে আসা।

ঘোষণাপত্রে বলা হয়েছে, যুদ্ধ কোনও সমস্যার স্থায়ী সমাধান নয়। আন্তর্জাতিক সংঘাত মেটাতে আলোচনা ও কূটনৈতিক পথকেই অগ্রাধিকার দেওয়ার পক্ষে মত দিয়েছে ব্রিকস। একই সঙ্গে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে সম্মিলিত লড়াইয়ের বার্তাও রাখা হয়েছে। কোনও দেশের নাম উল্লেখ না হলেও, কূটনৈতিক মহলের একাংশ এটিকে পাকিস্তানের উদ্দেশে পরোক্ষ বার্তা হিসেবেও দেখছে।

ইরান ও আমিরশাহীর অবস্থান নিয়ে ঘোষণাপত্র চূড়ান্ত করতে জটিলতা তৈরি হয়েছিল বলে খবর। ইরান মার্কিন ও ইজরায়েলি হামলার নিন্দা চাইলেও আমিরশাহী পাল্টা ইরানের হামলার প্রসঙ্গ তোলে। শেষ পর্যন্ত সংঘাত নয়, আলোচনার পথেই সমাধানের পক্ষে দুই পক্ষের সম্মতি তৈরি হয়।

বিশ্বজুড়ে শুল্ক-সংঘাত ও আন্তঃসীমান্ত বাণিজ্যের বিষয়ও দিল্লি ঘোষণাপত্রে গুরুত্ব পেয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, রাশিয়া, চিন, ইরান-সহ একাধিক শক্তিধর দেশকে একই মঞ্চে এনে ভারত ব্রিকসের ক্রমবর্ধমান আন্তর্জাতিক গুরুত্ব তুলে ধরতে সক্ষম হয়েছে।

Related Articles