Fake Identity Case: ভুয়ো পরিচয়পত্রে ঘোরাঘুরির অভিযোগে ভারত-নেপাল সীমান্ত থেকে গ্রেফতার ইন্দোনেশিয়ান মহিলা
এসএসবির মহিলা কর্মীরা তাঁকে জেরা শুরু করতেই ধীরে ধীরে প্রকাশ্যে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য।প্রথমে আটক করার পর ওই মহিলাকে দীর্ঘক্ষণ জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
Truth of Bengal: ভারত–নেপাল সীমান্তে ফের সাফল্য এসএসবির। গোপন সূত্রে পাওয়া খবরের ভিত্তিতে বিশেষ অভিযান চালায় ৪১ নম্বর ব্যাটালিয়নের জওয়ানরা। শিলিগুড়ি মহকুমা পরিষদের অন্তর্গত সীমান্তবর্তী এলাকায় সন্দেহজনক ভাবে ঘোরাঘুরি করতে দেখা যায় এক মহিলাকে। এসএসবির মহিলা কর্মীরা তাঁকে জেরা শুরু করতেই ধীরে ধীরে প্রকাশ্যে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য।প্রথমে আটক করার পর ওই মহিলাকে দীর্ঘক্ষণ জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরে খড়িবাড়ি থানার পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হলে তাঁকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ধৃত মহিলার নাম নিকাদেক সিসিআনি, যিনি ইন্দোনেশিয়ার বালি প্রদেশের বাসিন্দা (Fake Identity Case)।
আরও পড়ুনঃ শুক্রেও কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টি, উত্তরবঙ্গে বাড়বে বর্ষার দাপট
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, নিকাদেক স্বীকার করেছেন যে তিনি ভারতীয় নাগরিক না হওয়া সত্ত্বেও মুম্বইয়ের এক এজেন্টের মাধ্যমে ভুয়ো আধার কার্ড ও প্যান কার্ড তৈরি করান। ভারতীয় পরিচয়পত্রে তাঁর নাম ছিল নিনোমান মুরনি। এই ভুয়ো পরিচয় ব্যবহার করেই ইন্দোনেশিয়া, তুরস্ক, নেপাল ও ভারতের মধ্যে একাধিকবার ভ্রমণ করেছেন বলে জানিয়েছেন তিনি।সব কাগজপত্র নকল হওয়া নিশ্চিত হয়েছে। এখন বড় প্রশ্ন উঠছে—কেন তিনি নকল আধার ও প্যান কার্ড বানালেন, এবং কোন উদ্দেশ্যে ভারতে প্রবেশের চেষ্টা করছিলেন? এই চক্রের সঙ্গে আর কে বা কারা যুক্ত, তা খতিয়ে দেখছে তদন্তকারী সংস্থা (Fake Identity Case)।
Truth of Bengal fb page: https://www.facebook.com/truthofbengal
শুক্রবার ধৃত মহিলাকে শিলিগুড়ি মহকুমা আদালতে তোলা হবে। ইতিমধ্যেই গোটা ঘটনার তদন্তে নেমেছে খড়িবাড়ি থানার পুলিশ ও এসএসবি। উল্লেখ্য, গত কয়েকদিনে সীমান্ত এলাকা থেকে একাধিক বাংলাদেশি নাগরিককে গ্রেপ্তারের ঘটনা ঘটেছে। তার মাঝেই নতুন করে ইন্দোনেশিয়ান মহিলার গ্রেপ্তার সীমান্ত এলাকায় আরও বেশি চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে (Fake Identity Case)।






