স্বাস্থ্য

মানসিক রোগে ভুগছে সাতজনের মধ্যে একজন! যুবসমাজে আত্মহত্যার প্রবণতা বৃদ্ধি: WHO

দুই-তৃতীয়াংশ ক্ষেত্রে উদ্বেগ ও অবসাদ ছিল প্রধান কারণ।

Truth Of Bengal: ২০২১ সালে বিশ্বের জনসংখ্যার এক বড় অংশ মানসিক রোগে ভুগছিল, নতুন রিপোর্টে এই তথ্য সামনে এনেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (Report)। পরিসংখ্যান অনুসারে, বিশ্বের প্রতি সাতজনের মধ্যে একজন অর্থাৎ একশ কোটি (এক বিলিয়ন) এরও বেশি মানুষ মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যায় আক্রান্ত ছিলেন। এর মধ্যে দুই-তৃতীয়াংশ ক্ষেত্রে উদ্বেগ ও অবসাদ ছিল প্রধান কারণ।

[আরও পড়ুন: সল্টলেকে আজ থেকে বাংলার তাঁতের হাট]

‘ওয়ার্ল্ড মেন্টাল হেলথ টুডে’ এবং ‘মেন্টাল হেলথ অ্যাটলাস ২০২৪’-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, মানসিক রোগ যুবসমাজের ওপর গুরুতর প্রভাব ফেলছে। যুবকদের মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে আত্মহত্যা। বিশ্বব্যাপী প্রতি ১০০টি মৃত্যুর মধ্যে অন্তত একটি আত্মহত্যার কারণে ঘটে। উদ্বেগজনক বিষয় হল, প্রতিটি আত্মহত্যায় দেখা গিয়েছে অন্তত ২০ বার চেষ্টা করা হয়।

গবেষকরা জানিয়েছেন, স্কিজোফ্রেনিয়া ও বাইপোলার ডিসঅর্ডারের মতো রোগও দ্রুত বাড়ছে। ধারণা করা হচ্ছে, প্রতি ২০০ জন প্রাপ্তবয়স্কের একজন স্কিজোফ্রেনিয়া এবং প্রতি ১৫০ জন প্রাপ্তবয়স্কের একজন বাইপোলার ডিসঅর্ডারে ভুগছেন (Report)। ডব্লিউএইচও-এর রিপোর্টে (Report) বলা হয়েছে, স্কিজোফ্রেনিয়া সবচেয়ে বেশি ব্যাঘাত সৃষ্টি করা রোগ এবং সমাজে সবচেয়ে বেশি অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টি করে। এ রোগে আক্রান্তরা প্রায়ই বিভ্রম ও বিশৃঙ্খল চিন্তাভাবনার সমস্যায় ভোগেন।

[আরও পড়ুন: ভাষা সন্ত্রাস নিয়ে অধিবেশনে জোরাল প্রতিবাদ করবেন মুখ্যমন্ত্রী! বিধানসভাতেই অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠক]

ডব্লিউএইচও প্রধান ডা. টেড্রস অ্যাধানম গেব্রেয়েসুস বলেছেন, মানসিক স্বাস্থ্যসেবাকে রূপান্তর করা বিশ্বের অন্যতম বড় জনস্বাস্থ্য চ্যালেঞ্জ। প্রতিটি সরকারের দায়িত্ব হল মানসিক স্বাস্থ্যকে কোনও বিশেষ সুবিধা নয়, বরং একটি মৌলিক অধিকার হিসেবে দেখা। বিশেষজ্ঞদের মতে, যদি এখনই বিনিয়োগ, উন্নততর সেবা এবং আইনগত সংস্কার না করা হয়, তবে মানসিক স্বাস্থ্য সংকট আরও গভীর হতে পারে।

Related Articles