বিদ্রোহের বড় পুরস্কার! মোদি মন্ত্রিসভায় ঠাঁই পাচ্ছেন শতাব্দী-সুদীপ? দিল্লির অলিন্দে চরম জল্পনা!
বিজেপির পর এনডিএ-র দ্বিতীয় বৃহত্তম শরিক এখন ‘ত্রিপুরার দল’! মোদির নতুন রদবদলে চমক দিচ্ছেন কারা?
Truth of Bengal: তৃণমূল কংগ্রেসের ২০ জন লোকসভা সাংসদের দলত্যাগের পর এবার দিল্লির বুকে ‘বিদ্রোহের সম্ভাব্য পুরস্কার’ ঘিরে জল্পনা তুঙ্গে উঠেছে। ঘাসফুল শিবির ভেঙে ত্রিপুরার দল ‘ন্যাশনালিস্ট সিটিজেন্স পার্টি অফ ইন্ডিয়া’ বা এনসিপিআই (NCPI)-তে যোগ দিয়েছেন এই ২০ জন হেভিওয়েট সাংসদ। এর ফলে রাতারাতি দিল্লির এনডিএ (NDA) জোটে বিজেপির পর দ্বিতীয় বৃহত্তম শরিক দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে চলেছে এই এনসিপিআই। আর এই সমীকরণ বদলাতেই খবর আসছে, শীঘ্রই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার মেগা রদবদল হতে চলেছে, যেখানে বাংলা থেকে এই বিদ্রোহী শিবিরের দু’একজন সাংসদ বড়ো উপহার পেতে পারেন।
প্রতিমন্ত্রীর দৌড়ে শতাব্দী, সুদীপকে নিয়েও জল্পনা
দিল্লির রাজনৈতিক সূত্রের খবর, কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় জায়গা পাওয়ার দৌড়ে সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছেন বীরভূমের হেভিওয়েট সাংসদ শতাব্দী রায় (Satabdi Roy)। অভিজ্ঞতায় সমৃদ্ধ শতাব্দীকে কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী করা হতে পারে বলে জোর গুঞ্জন শুরু হয়েছে। তাঁর পাশাপাশি প্রবীণ সংসদীয় নেতা সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামও অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে এনডিএ নেতৃত্ব। একইসঙ্গে জল্পনা চলছে, বঙ্গ বিজেপির কোনও শীর্ষনেতাকেও এই দফায় পূর্ণমন্ত্রী করা হতে পারে।
এদিন বর্ষীয়ান সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় দিল্লির বুকে দাঁড়িয়ে জানান, “সংযুক্তিকরণ প্রক্রিয়ার প্রথম ধাপের আলোচনা ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। আবার ডাক পড়লে দ্বিতীয় দফার বৈঠক হবে। আগামী ২০ জুলাই লোকসভার অধিবেশন শুরু হওয়ার আগেই আমাদের পরবর্তী সমস্ত পদক্ষেপ চূড়ান্ত হয়ে যাবে।”

“১৫ বছর বাংলায় কোনও কাজই হয়নি!” বিস্ফোরক রচনা
এদিকে, সমস্ত জল্পনার অবসান ঘটিয়ে মঙ্গলবার লোকসভা সচিবালয়ে গিয়ে বিদ্রোহী শিবিরে নিজের চূড়ান্ত সমর্থন জানিয়ে প্রয়োজনীয় নথিতে সই করেছেন হুগলির সাংসদ রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় (Rachana Banerjee)। আর সই করার পরেই দিদি তথা তৃণমূলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন তিনি। তবে বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ভূয়সী প্রশংসা করেছেন রচনা।

সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ‘দিদি নম্বর ওয়ান’ স্পষ্ট ভাষায় বলেন, “তৃণমূল মানেই দিদি। তাঁকে আমরা সম্মান করি। কিন্তু বিগত ১৫ বছর ধরে পশ্চিমবঙ্গে উন্নয়ন কার্যত থমকে ছিল। মানুষের জন্য যে কাজ আমি করতে চেয়েছিলাম, সেখানে পদে পদে বাধা আসছিল। আমি মানুষের ভোট পেয়েছি কাজ করার জন্য, ঘরে বসে থাকার জন্য নয়। কেন্দ্র ও রাজ্যে এক সরকার (ডবল ইঞ্জিন) থাকলে উন্নয়ন যে অনেক দ্রুত হয়, সেটা এখন বুঝতে পারছি।”






