নির্বাচন কমিশন ঘেরাও: “এটা সংবিধান রক্ষার লড়াই”, দাবি রাহুলের
সেখানে অসুস্থ হয়ে পড়েন তৃণমূল কংগ্রেসের দুই সাংসদ মহুয়া মৈত্র ও মিতালী বাগ।
Truth Of Bengal: এসআইআর ইস্যুতে শুরু থেকেই তোলপাড় ছিল জাতীয় রাজনীতি (Constitution Figh)। তার উপর কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধীর ভোট চুরির অভিযোগ বিরোধী সাংসদদের আরো ক্ষেপিয়ে তোলে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে। এরপরই ইন্ডিয়া জোটের তরফ থেকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় ১১ আগস্ট নির্বাচন কমিশন ঘেরাওয়ের। ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী সকলেই পায় হেঁটে রওনা দেন কমিশনের উদ্দেশ্যে। তাতে যোগ দিয়েছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদরাও। শুধু ঘাসফুল শিবিরেরই নয়, ছিলেন আম আদমি পার্টির সাংসদরাও।
[আরও পড়ুন: Daycare Abuse: ডে-কেয়ারে দেড় বছরের শিশুর ওপর অত্যাচার, দিল্লিতে সোরগোল]
তবে প্রত্যাশা অনুযায়ী পরিস্থিতি উগ্র হয়ে ওঠে। বিরোধীদের রুখতে ব্যারিকেড বসানো হয় দিল্লী পুলিশের তরফ থেকে। তাতে উঠে স্লোগান দেন বিরোধীরা। পরে সাংসদরা রাস্তায় বসে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন (Constitution Figh)। এরপর একেক করে সকলকে ধরে তোলা হয় পুলিশ-বাসে। সেখানে অসুস্থ হয়ে পড়েন তৃণমূল কংগ্রেসের দুই সাংসদ মহুয়া মৈত্র ও মিতালী বাগ।
পুলিশ- বাস থেকে রাহুল গান্ধী সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন এবং একহাত নেন নির্বাচন কমিশনকে। তাঁর বক্তব্য, “বাস্তব সত্যি এটাই যে ওরা কথা বলতে পারেনা। সত্য দেশের সামনে। এই লড়াই রাজনৈতিক নয় (Constitution Figh)। এই লড়াই সংবিধান রক্ষার, এক ব্যক্তি, এক ভোটের জন্য। আমরা চাই একটা পরিষ্কার ও স্বচ্ছ ভোটার তালিকা।” অন্যদিকে, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী বলেন, “সরকার ভয়ে রয়েছে। সরকার কাপুরুষ।”
[আরও পড়ুন: Teacher Reinstatement: চাকরিহারা শিক্ষক-শিক্ষিকাদের পুরনো চাকরিতে পুনর্বহাল শুরু]
প্রসঙ্গত, এসআইআর ইস্যু নিয়ে প্রথম থেকেই সরব হয়েছিলেন বিরোধীরা। বিশেষ করে বিহার বিধানসভা নির্বাচনের আগে তালিকা থেকে অজস্র ব্যক্তির নাম বাদ যাওয়া পরিস্থিতি আরও শোচনীয় করে তোলে। কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধী তরফ থেকে বিজেপি বিরোধী সাংসদদের নৈশভোজে আমন্ত্রণ জানানো হয় এবং এই বিষয়ে আলোচনা চলে (Constitution Figh)। পরিকল্পনা অনুযায়ী ১১ অগাস্ট কমিশন ঘেরাও করতে নামে ইন্ডিয়া জোট এবং তারপরেই চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতি তৈরি হয়। যদিও শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত সকলকেই ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।






