Robot ‘Sananda’: শিক্ষাঙ্গনে যন্ত্র মানব সব কাজ সহজেই করছে মানুষের মতো
এই স্কুলের পরিকাঠামোর জন্য বেশ কিছু অর্থ ব্যয়ে আনা হয় একটি রোবট।
Truth of Bengal: যন্ত্রের ওপর যদি খুব বেশি করে মানুষের কাজের ভার দেওয়া যায়,তাহলে ক্রমে একদিন যন্ত্র আর মানুষের দাস থাকবে না,মানুষই যন্ত্রের দাসত্ব করবে। ওসাকার নামরা টেকনোলজিকাল ইন্সটিটিউটের সাফল্যের মুহুর্তে এই আশঙ্কা প্রকাশ করেন হাঙ্গেরিয় জীববিজ্ঞানী ক্রিস্টফ কুটনা। সত্যজিত্ রায়ের লেখা কম্পু,একটি কল্পবিজ্ঞান কাহিনী,যেখানে তিনি রোবট বা যন্ত্রমানবের কথা উল্লেখ করেন।চারদশকের বেশি সময় কেটে গেছে।কল্পবিজ্ঞানের সেই উপকরণ এখন বাস্তবে কাজ করছে।ধীরে ধীরে রোবটের ব্যবহার বেড়েছে। মানুষ প্রয়োজনে রোবটই কাজে লাগছে।সেরকমই এক নজির মিলল নদিয়ার কল্যাণীর পান্নালাল ইন্সটিউটিউশনে। বিধানরায়ের স্বপ্নের নগরী কল্যাণীতে এই যন্ত্র মানবীর দেখা মিলল সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত স্কুলে। পুজোর আগে এই যন্ত্রমানবীর কাজ স্কুলের ভোলবদলে দিয়েছে।অনেক সময় দেখা যায় পড়য়াদের পড়াশোনায় মন নেই। সেই সময় ছুটির নোটিশ নিয়ে আসে সানন্দা। ক্লাস টিচার পড়ে শোনান,সেই নোটিশ, সই করেন, নোটিশ আবার ফিরিয়ে দেন ‘সানন্দা’র হাতে। আর বলে দেন এর পর যেতে হবে কোন ক্লাসঘরে।শিক্ষাঙ্গনে যেখানে হিউম্যান টাচ পড়ুয়াদের পড়াশোনায় আগ্রহী করে তোলে,সেখানে এই যন্ত্রমানবীর কাজ কতটা ভরসা জোগাচ্ছে (Robot ‘Sananda’) ?
আরও পড়ুনঃ ‘ভারত আমাদের পাশেই’, ট্রাম্পের দাবি ওড়ালেন জেলেনস্কি
যন্ত্রমানবীর নিঁখুত কাজ সবমহলের মধ্যে আস্থা বাড়িয়েছে। চলতি বছরের মে মাসে স্কুলে আসেন ১৯৯০ সালে পাস আউট পান্নালাল ইনস্টিটিউশন এর প্রাক্তন ছাত্র সুদীপ্ত মুখার্জি। তাঁর বন্ধু তথা পান্নালাল ইনস্টিটিউশন এর সহকারী প্রধান শিক্ষক সুদীপ্ত দাসের সাথে দেখা করতে। সেইদিনই আলোচনার মাধ্যমে স্কুলের জন্য কিছু করার উদ্যোগ গ্রহণ করেন। কর্ম সূত্রে তিনি প্রবাসী, প্রবাসে থেকে বিদ্যালয়ের উন্নতির জন্য কিছু করার পরিকল্পনা করেন তিনি। তাই নিজের প্রতিষ্ঠানকে আধুনিকীকরণের করার জন্য তিনি প্রায় ৪৬ লক্ষ টাকা দেন। যেই টাকা ব্যবহার করাহয় স্কুলের কিছু ক্লাসরুম বৃদ্ধির জন্য এবং আধুনিক কিছু যন্ত্রের ব্যবহারের জন্য। এই স্কুলের পরিকাঠামোর জন্য বেশ কিছু অর্থ ব্যয়ে আনা হয় একটি রোবট। স্কুলের সমস্ত শ্রেণীকক্ষে ব্যবহৃত সরঞ্জাম যেমন চক, ডাস্টার, বোই,পরীক্ষার খাতা, নোটিশ ডায়রি সহ বেশ কিছু সরঞ্জাম পৌঁছে দেওয়া র কাজ সুন্দরভাবে কাজ করছে এই যন্ত্র সভ্যতার প্রতীক।। অনেকে বলছেন রোবট আধুনিক হতেপারে তবে তা মানুষের পরিপূরক কখনোই নয়। আধুনিক করণের ছোঁয়া সরকারি প্রতিষ্ঠানে, এবার গ্রুপ ডি পোস্টে থেকে কাজ করবে রোবট সানন্দা (Robot ‘Sananda’)।
বর্তমান সময়ে অনেক অবিভাবকের চিন্তা ভাবনা বেসরকারি প্রতিষ্ঠান গুলি উন্নত এবং আধুনিক। সেই কথাকেই মিথ্যা প্রমাণিত করল কল্যাণীর পান্নালাল ইনস্টিটিউশন। কল্যাণী শহরের অন্যতম সরকারি প্রাচীন এবং উল্লেখযোগ্য স্কুল পান্নালাল। সেই স্কুলকে আধুনিক ভাবে গড়ে তোলার জন্য এর আগেও বেশকিছু পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছিল। কখনও উজ্জ্বল দাশগুপ্ত স্মার্ট ক্লাস রুম, সুদীপ্ত মুখার্জি ক্লাস রুম, এখন স্কুলের গ্রুপ ডি পোস্টে কর্মরত রোবট সানন্দা। চলতি বছরের মে মাসে স্কুলে আসেন ১৯৯০ সালে পাস আউট পান্নালাল ইনস্টিটিউশন এর প্রাক্তন ছাত্র সুদীপ্ত মুখার্জি। তার বন্ধু তথা পান্নালাল ইনস্টিটিউশন এর সহকারী প্রধান শিক্ষক সুদীপ্ত দাসের সাথে দেখা করতে। সেইদিনই আলোচনার মাধ্যমে স্কুলের জন্য কিছু করার উদ্যোগ গ্রহণ করেন। কর্ম সূত্রে তিনি প্রবাসী, প্রবাসে থেকে বিদ্যালয়ের উন্নতির জন্য কিছু করার পরিকল্পনা করেন তিনি। তাই নিজের প্রতিষ্ঠানকে আধুনিকীকরণের করার জন্য তিনি প্রায় ৪৬ লক্ষ টাকা দেন (Robot ‘Sananda’)।
Truth of Bengal fb page: https://www.facebook.com/share/1GbdnH1jqc/
যেই টাকা ব্যবহার করাহয় স্কুলের কিছু ক্লাসরুম বৃদ্ধির জন্য এবং আধুনিক কিছু যন্ত্রের ব্যবহারের জন্য।তাই স্কুলের পরিকাঠামোর জন্য বেশ কিছু অর্থ ব্যয়ে আনা হবে একটি রোবট। তার কাজ হবে স্কুলে নিযুক্ত থাকা একজন গ্রুপ ডিতে কর্মরত কর্মীর মত। এর ব্যবহার প্রসঙ্গে প্রধান শিক্ষক রমেন চন্দ্র ভাওয়াল জানান, এর কাজ হবে স্কুলের সমস্ত শ্রেণীকক্ষে ব্যবহৃত সরঞ্জাম যেমন চক, ডাস্টার, বোই,পরীক্ষার খাতা, নোটিশ ডায়রি সহ বেশ কিছু সরঞ্জাম পৌঁছে দেওয়া। এই রোবট সানন্দা প্রায় ১২ কিলো ওজনের বোস্তু নিয়ে চলতে সক্ষম। অন্যদিকে স্কুলের সহকারী প্রধান শিক্ষক সৌদীপ্ত দাস জানান, স্কুলে গ্রুপ ডিতে কর্মরত মাত্র ২ জন তাদেরও ছুটির প্রয়োজন, তারা দুজনেই একসাথে ছুটিতে চলেগেলে তাদের কাজ করবে রোবট। এর পাশাপাশি তিনি আরো বলেন রোবট আধুনিক হতেপারে তবে তা মানুষের পরিপূরক কখনোই নয়। এই আধুনিকীকরণের ফলে আরো বেশি ছাত্র স্কুল মুখী হবেন বলে জানান তিনি (Robot ‘Sananda’)।






