মৌসুনী দ্বীপে নদীভাঙন: সমুদ্রে তলিয়ে তিন গেস্ট হাউস, আতঙ্কে স্থানীয়রা
Truth Of Bengal: মান্থা ঘূর্ণিঝড়ের প্রত্যক্ষ প্রভাব না পড়লেও মৌসুনী দ্বীপে দেখা দিল নতুন বিপর্যয়। নামখানা ব্লকের এই পর্যটনকেন্দ্রিক এলাকায় সমুদ্রের ঢেউয়ে ভেঙে পড়েছে প্রায় ১২০০ মিটার নদীর বাঁধ। এর জেরে তলিয়ে (Mousuni Erosion) গেছে তিনটি গেস্ট হাউস, ভয় ছড়িয়েছে স্থানীয়দের মধ্যে।
আরও পড়ুনঃ ‘ইউনিটি রান’: জাতীয় ঐক্য দিবসে সীমান্তে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দৌড় জওয়ান-নাগরিকদের
সূত্রের খবর, প্রশাসনের পক্ষ থেকে আগেই সতর্কতা জারি করা হয়েছিল যে মান্থা ঘূর্ণিঝড়ে বড় ক্ষতির সম্ভাবনা নেই। কিন্তু প্রভাব কম হলেও হঠাৎ করেই বাঁধের ধারে শুরু হয় মাটি ধস। ধীরে ধীরে নদী গিলে ফেলে গেস্ট হাউসগুলো ও আশেপাশের চর এলাকা। ফলে একদিকে যেমন পর্যটনক্ষেত্রে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে, তেমনই আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন নদীর ধারে বসবাসকারী পরিবারগুলি। (Mousuni Erosion)
লিঙ্কঃ https://www.facebook.com/truthofbengal
শনিবার সকাল থেকেই জরুরি ভিত্তিতে বাঁধ মেরামতির কাজ শুরু হয়েছে। প্রশাসন ও স্থানীয় বাসিন্দারা মিলে মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছেন মৌসুনী দ্বীপের পর্যটন ও বসতি এলাকাকে রক্ষা করতে। তবে পরিস্থিতি এখনও উদ্বেগজনক। (Mousuni Erosion)
এদিকে, আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, বঙ্গোপসাগরে ফের একটি নিম্নচাপ তৈরি হচ্ছে, যার প্রভাবে দক্ষিণবঙ্গের উপকূলীয় এলাকায় আগামী কয়েকদিন মাঝেমধ্যে ঝোড়ো হাওয়া ও বৃষ্টি চলতে পারে। ইতিমধ্যেই মৌসুনীতে মরা কটালের জলে বাঁধে নতুন করে ফাটল দেখা দিয়েছে, যা ভবিষ্যতের জন্য আরও আশঙ্কা তৈরি করছে।
তিনটি গেস্ট হাউস সম্পূর্ণ নদীগর্ভে তলিয়ে যাওয়ায় ক্ষতির পরিমাণ কয়েক কোটি টাকা বলে জানিয়েছেন মালিকরা। নদীর ধারে বসবাসকারী বহু পরিবারের ঘরবাড়িও বিপন্ন। তাঁদের দাবি, দ্রুত পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা হোক এবং স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। (Mousuni Erosion)






