‘আটকে দেখাক’, ত্রিপুরায় প্রতিনিধি দলের হেনস্থায় কী বললেন মমতা?
পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে গিয়ে ত্রিপুরায় পুলিশি বাধার মুখে পড়েন ঘাসফুল শিবিরের প্রতিনিধিরা
Truth Of Bengal: নাগরাকাটায় জনরোষের কারণে বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু ও বিধায়ক শঙ্কর ঘোষের আক্রান্ত হওয়াকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত বঙ্গ রাজনীতি। গুরুতরভাবে জখম হন খগেন মুর্মু। সেই ঘটনার আঁচ পড়ে বিজেপি শাসিত ত্রিপুরায়ও। প্রতিবাদ জানাতে হামলা চালানো হয় তৃণমূল কংগ্রেসের সদর দফতরে। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে গিয়ে সেখানে পুলিশি বাধার মুখে পড়েন ঘাসফুল শিবিরের প্রতিনিধিরা। এবার এই বিষয়ে সোচ্চার হলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে জানান যে প্রয়োজন হলে তিনি সেখানে যাবেন, সাহস থাকলে আটকে দেখাক।
আরও পড়ুনঃ রসায়নে নোবেল পেলেন তিন বিজ্ঞানী, কোন কৃতিত্বে এই স্বীকৃতি জানেন?
বুধবার, উত্তরবঙ্গ থেকে মুখ্যমন্ত্রী কলকাতা বিমানবন্দরে নামেন এবং সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন। সেখানে ত্রিপুরায় হওয়া প্রতিনিধি দলের হেনস্থার প্রসঙ্গ উঠলে তিনি বলেন, “ত্রিপুরায় আমাদের পার্টি অফিসে ভাঙচুর হয়েছে। ওখানে যা চলছে…. আটকে দিল আমাদের মন্ত্রী, বিধায়ক, সাংসদদের। প্রিপেড ট্যাক্সিও নিতে দিল না। বাইকেও যেতে দিচ্ছিল না। হেঁটে যেতে আমি বাধ্য হয়েই বলি। ওরা হাঁটতে শুরু করে তারপর। আমি বলেছিলাম তাও যদি যেতে না দেয় তাহলে আমি যাব। সাহস থাকলে আমাকে আটকে দেখাক।” (Mamata Banerjee)
লিঙ্কঃ https://www.facebook.com/truthofbengal
অতীতে হওয়া হামলা প্রসঙ্গেও এদিন বক্তব্য রাখেন মুখ্যমন্ত্রী। কীভাবে ত্রিপুরায় হামলা শিকার হয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সহ দলের অন্যান্য প্রভাবশালীরা, সেগুলিও ফের তুলে ধরেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “অভিষেকের গাড়িও আগে ভাঙ্গা হয়েছিল ত্রিপুরায়। হামলা হয়েছিল দোলা সেন, সুস্মিতা দেবের গাড়িতে।” এরপরই বিজেপির দিকে অভিযোগের আঙ্গুল তুলে মুখ্যমন্ত্রী প্রশ্ন তোলেন, “ডবল ইঞ্জিন সরকার তখন কোথায় ছিল? এরা প্রশ্রয় দেয় অশান্তিকে। নিজের ঘরে আগে তাকান।” (Mamata Banerjee)





