Kargil Victory: কার্গিল বিজয় দিবসে দেশবাসীকে বিশেষ বার্তা অভিষেকের
On Kargil Vijay Diwas, Abhishek Banerjee honors the bravery of Indian soldiers and their families. The nation remembers the 1999 Kargil Victory as a symbol of courage and sacrifice.
Truth Of Bengal: দেবজিৎ মুখার্জি: আজ ২৬শে জুলাই। গোটা ভারতবর্ষের কাছে এটি একটি গর্বের দিন। আজ কার্গিল বিজয় দিবস। ২৬ বছর আগে এই জয়ের ফলে গোটা দেশের মুখ উজ্জ্বল হয়েছিল(Kargil Victory)। বলা ভালো, গোটা বিশ্বকে দেখিয়ে দেওয়া হয়েছিল যে ভারতীয় সেনা কতটা দক্ষ এবং শক্তিশালী। এদিন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী থেকে শুরু করে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু সকলেই পোষ্টের মাধ্যমে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন।
[আরও পড়ুন: River Tragedy: মুণ্ডেশ্বরীতে স্নান করতে গিয়ে তলিয়ে গেল এক যুবক, ২২ ঘণ্টা পর মিলল দেহ]
পাশাপাশি, অন্যান্য রাজনৈতিক দলের নেতারাও একই কাজ করেছেন। দেশবাসীকে বিশেষ বার্তা দিয়েছেন বাংলার শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক, তথা ডায়মন্ড হারবার সাংসদ, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়(Kargil Victory)। নিজের এক্স হ্যান্ডেল থেকে তিনি দাবি করেন যে এই জয় শুধুমাত্র একটা জয় নয় এবং এটি চিরকাল গেঁথে থাকবে জাতির আত্মায়। এছাড়া সেনাদের শ্রদ্ধা দেওয়ার পাশাপাশি তাদের পরিবারকেও কুর্নিশ জানান তিনি। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় লেখেন, “কিছু জয় এমন যা শুধু যুদ্ধক্ষেত্রতেই পাওয়া যায় না, বরং গেঁথে থাকে জাতির আত্মাতেও। আমরা দেশের সেনাবাহিনীর বীর সৈনিকদের শ্রদ্ধা জানাচ্ছি আজকের দিনে। সাহসের সঙ্গে তাঁরা জাতিকে রক্ষা করেছিলেন। আজ আমরা তাঁদের এই ত্যাগকে সম্মান জানাই এবং তাঁদের পরিবারের সহ্য শক্তিকেও স্যালুট জানাই। জয় হিন্দ।”
লিঙ্কঃ https://www.facebook.com/truthofbengal
প্রসঙ্গত, কার্গিল যুদ্ধের সূত্রপাত ১৯৯৯ সালের মে মাস থেকে। তখনও বরফে ঢেকেছিল ওটা কার্গিল পাহাড়ি অঞ্চল। পাক সেনাদের কিছু সন্দেহজনক কাজকর্ম নজরে আসে এক মেষপালকের(Kargil Victory)। এরপরই খবর দেওয়া হয় ভারতীয় সেনাদের। তাদের তরফ থেকে একটি দল পাহাড়ে পাঠানো হলে, তাদের নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়। তারপর পাল্টা দিতে শুরু করে ভারতীয় সেনা, যার ফলে রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় কার্গিল। অবশেষে তাতে সাফল্য পায় দেশের সেনাবাহিনী এবং ২৬শে জুলাই প্রতিবছর কার্গিল দিবস হিসেবে পালন করা হয়।






