কলকাতারাজ্যের খবর

Kalyan Banerjee: কসবার পর কাকদ্বীপ কলেজ! অস্থায়ী কর্মী নিয়োগ নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য কল্যাণের

After Kasba, now Kakdwip College is under fire for hiring seven TMC student leaders as temporary staff.

Truth Of Bengal: কসবার পর এবার কাকদ্বীপ কলেজ! প্রশ্ন উঠছে, কলেজের চাকরি মানেই কী টিএমসিপি নেতাদের অধিকার (Kalyan Banerjee)? তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় এই নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে ফের দলের অস্বস্তি বাড়িয়ে দিয়েছে বলে মনে করছে অনেকেই।

কাকদ্বীপ কলেজে অস্থায়ী কর্মী হিসাবে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সাত জন নেতা-কর্মী নিযুক্তের ঘটনায় শুরু হয়েছে জোর তরজা। তার মাঝেই ফের সরব কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। জানালেন নিজের ব্যক্তিগত মতামত।

এই বিষয়ে বর্ষীয়ান সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘নেতাগিরিও করবেন আবার চাকরিও করবেন? এটা আমি মেনে নিতে পারছি না। যদি কাউকে চাকরি দিতেই হয়, কর্মীদের দিন, নেতাদের নয়। এটা কোনও নতুন ব্যাপার নয়, সিপিএম জমানাতেও হয়েছিল, তৃণমূল আসার পরও হয়েছে। তবে নেতাদের কাজ দেওয়ার বিষয়টা এবারই জানলাম!’

নিজের মন্তব্যের জেরে আবারও যে তাঁকে বিতর্কে জড়াতে হতে পারে, তাও তাঁর মাথায় রয়েছে। তিনি বলেন, “অবশ্যই লিখে দেবেন এটা আমার ব্যক্তিগত মতামত। না হলে আবার AITC বলবে, ‘দল আমার সঙ্গে নেই’’ (Kalyan Banerjee)।

প্রসঙ্গত, কাকদ্বীপ কলেজে অস্থায়ী কর্মী হিসেবে নিযুক্ত তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সাত জন নেতা-কর্মী। সূত্রের খবর, তাঁরা ২০২২ থেকে কলেজের কাজে নিযুক্ত। এই কলেজের পরিচালন সমিতির চেয়ারম্যান হলেন কাকদ্বীপের তৃণমূল বিধায়ক মন্টুরাম পাখিরা। সংবাদমাধ্যমে দেওয়া তাঁর এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ন্যাক মূল্যায়নের সময় প্রয়োজনে তাঁদেরকে নিয়োগ করা হয়েছে। তাঁর দাবি, গভর্নিং বডির সিদ্ধান্তে পরীক্ষা ছাড়াই তাঁদের নিয়োগ করা হয়।

মন্টুরাম পাখিরা ওই অস্থায়ী কর্মীদের বিষয়ে বলতে গিয়ে বলেন, “সকলেই আর্থিকভাবে পিছিয়ে থাকা পরিবারের সন্তান। অস্থায়ীভাবে কাজ করছেন।” এদিকে কলেজ অধ্যক্ষ শুভঙ্কর চক্রবর্তীকে সে বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, “আমি যোগ দেওয়ার আগেই এই নিয়োগ হয়েছে (Kalyan Banerjee)।”

Related Articles