কলকাতা

Kalyan Banerjee: অস্থায়ী নিয়োগ নিয়ে সিপিএম-কে তুলধোনা! কী বললেন শ্রীরামপুরের সাংসদ?

TMC MP Kalyan Banerjee criticizes CPIM for setting the trend of hiring student leaders in their own colleges.

Truth Of Bengal: ফের বিস্ফোরক শ্রীরামপুরের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। যাঁরা কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের নেতা তাঁরা আবার সেই কলেজেই চাকরি কেন করবে (Kalyan Banerjee)? এগুলো সিপিএম-এর আমলে হতো। দলের আরও অনেক কর্মী রয়েছে, চাকরি দিতে হলে তাঁদেরকে দিন। কসবা কাণ্ডের মাঝে নিজের বক্তব্য স্পষ্ট করলেন বর্ষীয়ান সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। এটি তাঁর ব্যক্তিগত মত বলে সিপিএমকে তুলোধনা করলেন সাংসদ।

[আরও পড়ুন: Kalyan Banerjee: কসবার পর কাকদ্বীপ কলেজ! অস্থায়ী কর্মী নিয়োগ নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য কল্যাণের]

কসবা কাণ্ডে দেখা গিয়েছে ধৃত কলেজের ছাত্র নেতা ছিল, আবার সেই কলেজের অস্থায়ী কর্মী। শনিবার এই প্রশ্নের প্রত্তুত্যরে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি নেতা যাঁরা, তাঁদের সেই ইনস্টিটিউশনে অস্থায়ী চাকরি করা উচিত নয়। যদি চাকরি দিতেই হয় তৃণমূলের অন্য কর্মীরা আছে তাদের দিক না।”

এই নিয়ে কথা হওয়ার সময় উত্তরপাড়া কলেজের প্রসঙ্গও উঠে এলে সিপিএমের বিরুদ্ধে গর্জে ওঠেন সাংসদ।  তিনি বলেন, “সিপিএমের আমলে কারা চাকরি পেয়েছে? যারা পেয়েছে তারা এখন স্থায়ী চাকরি করছে। সিপিএমের নেতাদের চাকরিতে ঢুকিয়ে দিয়ে গিয়েছে। এরা তো সব ৩০ সাল পর্যন্ত চাকরি করবে। তা হলে আমাদের লোক ঢুকবে কোথায়? বিজেপির তখন জন্ম হয়নি। সিপিএম সব খেয়ে চলে গেছে (Kalyan Banerjee)।”

এদিকে দক্ষিণ ২৪ পরগনার কাকদ্বীপ কলেজেও অস্থায়ী নিয়োগ ঘিরে উঠেছে তীব্র অভিযোগ। জানা গেছে, সেখানে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সাত জন নেতা-কর্মীকে ২০২২ সালে অস্থায়ী ভিত্তিতে নিয়োগ করা হয়। কলেজ পরিচালন সমিতির চেয়ারম্যান ও কাকদ্বীপের তৃণমূল বিধায়ক মন্টুরাম পাখিরা এই তথ্য স্বীকার করেছেন। তাঁর দাবি, “NAAC মূল্যায়নের সময় কলেজে প্রচণ্ড কর্মীসংকট ছিল। গভর্নিং বডির সিদ্ধান্তেই অস্থায়ীভাবে কিছুজনকে নিয়োগ করা হয়।” নিযুক্ত এক কর্মী, তৃণমূল ছাত্র পরিষদের নেতা তৌসিফ সরদার বলেন, “আমরা ইন্টারভিউয়ের মাধ্যমে অস্থায়ী কর্মী হিসেবে নির্বাচিত হয়েছি। বর্তমানে ৬ হাজার টাকা বেতন পাচ্ছি (Kalyan Banerjee)।”

Related Articles