রাজ্যের খবর

Digha Jagannath Temple: দীঘায় জগন্নাথের ধ্বজা উৎসর্গ করতে চান? জেনে নিন বুকিং নম্বর ও মানত করার নতুন নিয়ম

ভক্তরা চাইলেই মানত পূরণ বা ভক্তির অর্ঘ্য হিসেবে মন্দিরের চূড়ায় ওড়ানোর জন্য ধ্বজা দান করতে পারবেন।

Truth of Bengal: সমুদ্রনগরী দিঘার জগন্নাথ মন্দিরে এবার নতুন মাত্রা যোগ হলো। ওড়িশার পুরীর মন্দিরের রীতিনীতিকে অনুসরণ করে এবার সৈকত শহরের এই মন্দিরেও চালু করা হলো ধ্বজা সেবা। শীতের মরসুমে পর্যটকদের ভিড় যখন তুঙ্গে, ঠিক তখনই মন্দির কর্তৃপক্ষের এই সিদ্ধান্তে দর্শনার্থীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ দেখা দিয়েছে। এখন থেকে ভক্তরা চাইলেই মানত পূরণ বা ভক্তির অর্ঘ্য হিসেবে মন্দিরের চূড়ায় ওড়ানোর জন্য ধ্বজা দান করতে পারবেন।

দিঘার জগন্নাথধাম ট্রাস্টের অন্যতম সদস্য তথা ইসকন কলকাতার মুখপাত্র রাধারমণ দাস জানিয়েছেন, পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের আদলেই এখানে ধ্বজা উত্তোলনের প্রথা শুরু করা হয়েছে। প্রতিদিন বিকেল ৪টে নাগাদ সেবায়েতরা মন্দিরের শিখরে উঠে নতুন ধ্বজা বাঁধবেন, ঠিক যে সময় পুরীর মন্দিরেও ধ্বজা পরিবর্তন করা হয়। যে সমস্ত ভক্তরা ধ্বজা দান করতে ইচ্ছুক, তাঁদের জন্য একটি বিশেষ ফোন নম্বর চালু করা হয়েছে। সেখানে ফোন করে আগেভাগেই বুকিং করা যাবে। দিন ও তিথির গুরুত্ব অনুযায়ী ধ্বজার মূল্যে কিছু তারতম্য থাকতে পারে। ধ্বজা সেবার পাশাপাশি মন্দিরের ভোগ বা প্রসাদ বিতরণেও আনা হয়েছে বিশেষ ব্যবস্থা। বর্তমানে দিঘার এই মন্দিরে দুপুর ও সন্ধ্যায় মোট ৮ রকমের প্রসাদ বিলি করা হচ্ছে। এই তালিকার মধ্যে রয়েছে খিচুড়ি ভোগ, বিভিন্ন ধরনের মিষ্টি, প্যাঁড়া, লুচি এবং সবজি। মূলত প্রাতঃরাশ থেকে শুরু করে বিশেষ মধ্যাহ্নভোজ এবং সন্ধ্যার মহাপ্রসাদ—সবই ভক্তরা পেতে পারেন। তবে এর জন্য নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে অগ্রিম বুকিং করা বাধ্যতামূলক।

প্রসাদ বুকিংয়ের ক্ষেত্রে কিছু নিয়ম বেঁধে দিয়েছে মন্দির কর্তৃপক্ষ। মধ্যাহ্নভোজের প্রসাদ পেতে হলে আগের দিন সকাল ১০টার মধ্যে নাম নথিভুক্ত করতে হবে। অন্যদিকে, সন্ধ্যার প্রসাদের জন্য সংশ্লিষ্ট দিনে সকাল ১১টার মধ্যে যোগাযোগ করতে হবে। তবে সন্ধ্যার মহাপ্রসাদের বুকিংয়ের কাজ বেলা ১১টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলবে। কর্তৃপক্ষের বিশ্বাস, পুরীর আদলে এই নতুন নিয়মাবলী চালু হওয়ার ফলে দিঘার এই মন্দিরটি পর্যটকদের কাছে আরও বেশি আধ্যাত্মিক আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠবে।