রাজ্যের খবর

Digha Snan Yatra: পুরীর রীতি মেনে দিঘায় স্নানযাত্রা, রথের আগে উৎসবে মাতোয়ারা ভক্তরা!

১০৮টি তীর্থক্ষেত্রের জলে স্নান করানো হয় প্রভু জগন্নাথ দেবকে।

Truth of Bengal: মহাসমারোহে দিঘায় পালিত হল স্নানযাত্রা।১০৮টি তীর্থক্ষেত্রের জলে স্নান করানো হয় প্রভু জগন্নাথ দেবকে। মন্দিরের বাঁদিকে তৈরি করা স্নান মণ্ডপে নিয়ে যাওয়া হয় জগন্নাথ দেবকে।স্নানের পর জগন্নাথদেবকে নিবেদন করা হয় ৫৬ভোগ।ভোগের মধ্যে ছিল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাঠানো আম-কাঁঠাল।

২৭জুন পবিত্র রথযাত্রা।তার আগে  মহা-ধুমধাম সহকারে পুরীর মতোই দিঘাতেও পালিত হল স্নানযাত্রা। বৈদিক মন্ত্র উচ্চারণ,হরিনাম সঙ্কীর্তন,শঙ্খ ধ্বনির মাধ্যমে স্নান করানো হয় প্রভু জগন্নাথ দেবকে।১০৮টি তীর্থক্ষেত্রের জল,পঞ্চামৃত,বিভিন্ন ফলের রস দিয়ে স্নান করানো হয় প্রভু জগন্নাথ দেব-কে।মন্দিরের বাঁদিকে তৈরি করা স্নান মণ্ডপে নিয়ে যাওয়া হয় জগন্নাথ দেবকে।স্নান বিধির  পর জগন্নাথদেবকে নিবেদন করা হয়  ভোগ। ৫৬রকমের ভোগ দেওয়া হয় জগত্ প্রভুকে। ভোগের  মধ্যে ছিল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাঠানো আম-কাঁঠাল। জগন্নাথ,বলরাম,সুভদ্রাকে পদ্মবেশে সাজানো হয়।

আরও পড়ুন: Crime Shocker: স্ত্রী ও ৪ বছরের মেয়েকে খুন করে আত্মহত্যার চেষ্টা! হুগলি কাণ্ডে কী বলছে পুলিশ

ইস্কনের সন্ন্যাসী থেকে ভক্ত,সবাই এই অনুষ্ঠানে হাজির ছিল।পবিত্র অক্ষয় তৃতীয়ায় দীঘায় জগন্নাথ মন্দিরের উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।তারপর সেই জগন্নাথের মন্দিরে বিশ্বের নানা প্রান্তের মানুষ আসছেন। সারা দেশের ভক্তদের কাছে সমুদ্রনগরীর এই মেগা-মন্দির বড় আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে। তীর্থ পর্যটনের দুয়ার খুলে যাওয়ায় জগন্নাথ ভক্তরা সাড়ম্বরে বিশ্বপ্রভুকে পুজোপাঠ করতে আসছেন।স্নানযাত্রাতেও রীতি মেনে  অগণিত ভক্ত হাজির ছিলেন দিঘার জগন্নাথ মন্দিরে। কার্যতঃ ভক্তও ভগবানের মিলন উত্সব হয়ে ওঠে এই স্নানযাত্রার অনুষ্ঠান।

Truth of Bengal FB page: https://www.facebook.com/share/1DpmwTbAnA/

জগন্নাথদেবের স্নানযাত্রার দিনটিকে অত্যন্ত শুভ বলে মনে করা হয়। ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, এই বিশেষ তিথিতে  নিয়ম মেনে প্রভুর আর্শীবাদ লাভ করলে শুভদিন ফিরে আসতে পারে। ভক্তি মনে এই বিশেষ তিথিতে কিছু নিয়ম মানলে সারাবছর সুখ-‌শান্তিতে ভরে ওঠে পারিবারিক জীবন। বিশ্বাস করা হয়,স্নানযাত্রার পর  জগন্নাথ দেবের জ্বর আসে। নিভৃতাবাসে তাঁকে রাখা হয়।ভক্তরা এখন অপেক্ষায় রয়েছে,২৭জুন পবিত্র রথযাত্রার জন্য।

 

Related Articles