Truth Of Bengal: মুখ্যমন্ত্রী পদে কে বসতে চলেছেন? এই প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে মহারাষ্ট্রের ওলিতে গলিতে। মসনদে কে বসবে, তা নিয়ে যে জট তৈরি হয়েছিল সেই জট কাটাতে মাঠে নেমেছে বিজেপি। বৃহস্পতিবারই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর বাড়িতে বৈঠক হয়। সেই হাইভোল্টেজ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন মহাজুটির তিন শরিক দলের শীর্ষ নেতৃত্ব- দেবেন্দ্র ফড়ণবিশ, একনাথ শিণ্ডে, অজিত পাওয়ার। এই বৈঠক ইতিবাচক হয়েছে বলেই দাবি সব শিবিরের। সব ঠিক থাকলে ডিসেম্বরের শুরুর দিকেই শপথ নিতে পারেন মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী।
গতকাল রাতে অমিত শাহর বাড়িতে যে বৈঠক হয়েছে তাতে বিভিন্ন বিষয় আলোচনা হয়েছে। কথা হয়েছে মন্ত্রিসভা বণ্টন নিয়েও। মহারাষ্ট্রে মুখ্যমন্ত্রী সহ মোট ৪৩ জন মন্ত্রী মন্ত্রিসভায় থাকতে পারেন। অর্থাৎ, মুখ্যমন্ত্রী বাদে ছাড়া মন্ত্রী হবেন ৪২ জন। মন্ত্রিসভার বেশিরভাগ সদস্যই হবে বিজেপির। ২০ টি মন্ত্রক যেতে পারে তাদের ঝুলিতে। শিণ্ডে শিবির পেতে পারে ১২ টা মতো। অন্যদিকে, ১০ টি মন্ত্রক পেরে পারে অজিত পাওয়ারের এনসিপি। গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রক যেমন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক, অর্থমন্ত্রক কার হাতে যায়, সেদিকেও নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহলের।
ভোটে ব্যাপক জয়। তবে, মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে কে বসবেন, তা নিয়ে এতদিন দড়ি টানাটানি চলছিল মহাজুটি-র। জট কাটাতে অবশেষে ময়দানে বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব। সদ্যসমাপ্ত বিধানসভা ভোটে ২৮৮ আসনের মধ্যে ২৩৫ টি আসনই গেছে এনডিএ-র দখলে। বিজেপি একাই পেয়েছে ১৩২ টি আসন। শিণ্ডের শিবসেনার ৫৭ টা এবং অজিত পাওয়ারের এনসিপি-র হাতে গেছে ৪১ টি আসন। স্বাভাবিকভাবেই মুখ্যমন্ত্রী হবে বিজেপির, এই দাবি উঠছে গেরুয়া শিবিরের অন্দরে। সেক্ষেত্রে উপমুখ্যমন্ত্রী করা হবে শিণ্ডে গোষ্ঠীর একজনকে এবং অজিত গোষ্ঠীর একজনকে।
সেক্ষেত্রে এনসিপি থেকে অজিত পাওয়ারই হতে পারেন উপমুখ্যমন্ত্রী। গেরুয়া ব্রিগেড চাইছিল অপরটি হোক একনাথ শিণ্ডে। তবে তিনি আগেই জানিয়েছিলেন, মুখ্যমন্ত্রী থাকার পর উপমুখ্যমন্ত্রীর পদ তাঁর পক্ষে গ্রহণ করা সম্ভব নয়। তবে জানা যাচ্ছে, অমিত শাহর সঙ্গে বৈঠকে জট অনেকটাই কেটেছে। আগামী মাসের শুরুতেই শপথ নিতে পারেন মহারাষ্ট্রের নতুন মুখ্যমন্ত্রী।






