মঙ্গলে বঙ্গভবনে শুভেন্দুর মুখোমুখি শতাব্দী-সুদীপরা, বিজেপিতেই কি মিশছে এনসিপিআই?
“যা এতদিন বলা যায়নি, এবার বলতে পারব!”, এনডিএ বৈঠকের আগে বিস্ফোরক মন্তব্য শতাব্দীর
Truth of Bengal: জাতীয় রাজনীতিতে ফের এক অভূতপূর্ব ও রোমাঞ্চকর মোড়। একদিকে এনডিএ (NDA)-র গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে আমন্ত্রণ পেলেন এনসিপিআই (NCPI)-র সাংসদরা, অন্যদিকে তার ঠিক আগেই মঙ্গলবার দুপুরে দিল্লির বঙ্গভবনে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে বৈঠকে বসতে চলেছেন এনসিপিআই সাংসদরা। সাংসদ শতাব্দী রায় নিজেই বঙ্গভবনে এই হাইভোল্টেজ বৈঠকের কথা নিশ্চিত করেছেন। আর এই জোড়া পদক্ষেপ ঘিরে দিল্লির রাজপথ থেকে কলকাতার রাজনৈতিক অলিন্দে জল্পনা তুঙ্গে, তবে কি স্বকীয় সত্ত্বা বজায় না রেখে সরাসরি বিজেপিতেই বিলীন হয়ে যেতে চলেছে এনসিপিআই?
উল্লেখ্য, তৃণমূল ছেড়ে ১৯ জন সাংসদকে সঙ্গে নিয়ে আলাদা গোষ্ঠী তৈরি করেছিলেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়রা। লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার সঙ্গে দেখা করে নিজেদের এনসিপিআই সাংসদ হিসেবে স্বীকৃতি এবং লোকসভায় এনডিএ শরিকদের পাশে বসার আবেদনও জানিয়েছিলেন তাঁরা। যদি এনসিপিআই পৃথক শরিক হিসেবে থাকে, তবে বিজেপির পর এটিই হতে চলেছে এনডিএ-র বৃহত্তম শরিক দল। কারণ বর্তমানে এনডিএ-র অন্য কোনও শরিক দলের সাংসদ সংখ্যা এত বেশি নয়। গত ১৯ জুলাই বাদল অধিবেশন শুরুর আগেই কেন্দ্রীয় সংসদ বিষয়কমন্ত্রী কিরেণ রিজিজু তাঁদের সর্বদল বৈঠকে আহ্বান জানিয়েছিলেন এবং তাঁরা যোগও দিয়েছিলেন।
মঙ্গলবার বঙ্গভবনের বিশেষ বৈঠক প্রসঙ্গে সাংসদ শতাব্দী রায় খোলাখুলি জানান, “দুপুর ১টার সময় বঙ্গভবনে আমাদের বৈঠক রয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী আমাদের সমস্ত সাংসদদের সঙ্গে আলোচনায় বসবেন। দলে এতদিন যা বলা সম্ভব হচ্ছিল না, আমাদের কারও কিছু বলার থাকলে তা জানতে চাওয়া হবে। এবার হয়তো আমরা সেই কথাগুলো বলতে পারব।”
দলবদলের এই আইনি প্রক্রিয়া নিয়ে শতাব্দী দাবি করেন, “আমরা সংবিধান ও নিয়ম মেনেই সবকিছু করেছি। নির্বাচন কমিশনের চিঠি এবং লোকসভার স্পিকারের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসা বাকি। সবাই সেই কাগজটির জন্যই হয়তো অপেক্ষা করছেন।” মঙ্গলবারের বৈঠকের পরেই পরিষ্কার হবে, এনসিপিআই পৃথক এনডিএ শরিক হিসেবে পথ চলবে নাকি বিজেপির সঙ্গে একীভূত হয়ে যাবে।




