রাজ্যের খবর

তিন দিনের সফরে বঙ্গে অমিত শাহ! উত্তরকন্যায় ‘চিকেনস নেক’ নিয়ে উচ্চপর্যায়ের সুরক্ষা বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া থেকে অনুপ্রবেশ রোধ! উত্তরকন্যায় প্রথমবার পা রেখে কী করতে চলেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী?

Truth of Bengal: কৌশলগত দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ‘চিকেনস নেক’ বা শিলিগুড়ি করিডর থেকেই শুরু হল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের তিন দিনের পশ্চিমবঙ্গ সফর। শুক্রবার রাত প্রায় ৯টা নাগাদ তিনি বাগডোগরা বিমানবন্দরে পৌঁছন। সেখানে তাঁকে স্বাগত জানান রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। রাতে তিনি শিলিগুড়ির কদমতলায় বিএসএফ ক্যাম্পে অবস্থান করেন।

শনিবার সকালে অমিত শাহ ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের ফুলবাড়ির জুমাগছে বিএসএফের ১৮ ব্যাটালিয়নের প্রহরী সম্মেলনে যোগ দেবেন। পাশাপাশি সীমান্ত পরিদর্শন, বৃক্ষরোপণ এবং একাধিক উন্নয়নমূলক প্রকল্পের শিলান্যাস ও উদ্বোধন করবেন। সীমান্ত নিরাপত্তা এবং কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ শিলিগুড়ি করিডরের সুরক্ষা আরও জোরদার করার বিষয়ে বিএসএফ জওয়ানদের সঙ্গে মতবিনিময় করারও কথা রয়েছে তাঁর।

এরপর দুপুরে তিনি প্রথমবার উত্তরকন্যায় যাবেন। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সফর উপলক্ষে উত্তরকন্যার রঙেও পরিবর্তন আনা হয়েছে। সেখানে সন্ধ্যা পর্যন্ত একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করবেন তিনি। বৈঠকের আলোচ্যসূচিতে রয়েছে শিলিগুড়ি করিডরের নিরাপত্তা, অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধ, কেন্দ্র-রাজ্য সমন্বয়, নতুন ফৌজদারি আইন বাস্তবায়ন এবং জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন সংক্রান্ত বিষয়।

শনিবার রাতেই তিনি কলকাতায় পৌঁছবেন। রবিবার আলিপুরের ‘সৌজন্য’ গেস্ট হাউসে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিন দিনের এই সফরে সীমান্ত নিরাপত্তা, নতুন ফৌজদারি আইন কার্যকর করা এবং বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যালোচনাই মূল গুরুত্ব পাচ্ছে।

অমিত শাহের সফরকে ঘিরে বাগডোগরা থেকে উত্তরকন্যা পর্যন্ত বিস্তীর্ণ এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। শিলিগুড়ি শহর-সহ গোটা চিকেনস নেকএলাকায় নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

এদিকে কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার দাবি করেছেন, উত্তরবঙ্গের সীমান্ত এলাকায় দীর্ঘদিন রাজ্যের অসহযোগিতার কারণে সীমান্তে বেড়া নির্মাণের কাজ বাধাগ্রস্ত হয়েছিল। তাঁর কথায়, সরকার পরিবর্তনের পর জমি হস্তান্তরের ফলে সীমান্ত সুরক্ষার কাজ দ্রুত এগোচ্ছে এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী হচ্ছে।

Related Articles