Truth Of Bengal: একুশের পর ছাব্বিশ।আবার বাংলায় গেরুয়ারাজ প্রতিষ্ঠার হুঙ্কার বাড়ছে।বাংলায় দাঁড়িয়ে সুর চড়ানোর পর বাংলার বাইরেও তৃণমূল কংগ্রেসকে টার্গেট করলেন অমিত শাহ (Amit Shah)।তামিলনাড়ুর একটি সভা থেকে শাহ এই সুর চড়ান।দক্ষিণভারতে দাঁড়িয়েও বাংলাও যে পাখির চোখ তা বুঝিয়ে দেন মোদি সরকারের নম্বর টু।আলিপুরদুয়ারের মতোই মাদুরাইয়ের সভা থেকে শাহি টোটকা কতটা কাজ দেবে তাই নিয়ে বড় প্রশ্ন উঠছে।যেখানে বিজেপির কোন্দল বাড়ছে,ক্ষমতার রাশ হাতে রাখা নিয়ে ক্ষমতাধর নেতাদের স্পর্ধা দেখানোর ঝোঁক বাড়ছে,সেখানে কিভাবে বঙ্গজয় সম্ভব হবে এই অল্পসময়ে তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।
একুশেও তো এই স্লোগান শোনা যায়,কিন্তু বাস্তবে ভোটব্রাক্সে ফসল তুলতে ব্যর্থ পদ্মশিবির।ঘুরে দাঁড়ানোর বদলে ঘর ভাঙছে।কলহে কাহিল কেন্দ্রের শাসকরা। সুকান্ত মজুমদার-শুভেন্দু অধিকারী গোষ্ঠীর দাপটে, দিলীপ ঘোষের মতো পুরনো নেতারা ক্রমশ নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়েছেন, আদি-নব্যের দ্বন্দ্বের চক্রব্যুহ থেকে কিছুতেই বেরুতে পারছে না গেরুয়া অভিমুন্যরা। এছাড়াও আরও বড় প্রশ্ন উঠছে। বাংলায় তো বিজেপি জয়ী বিধায়কদেরই ধরে রাখতে পারেনি (Amit Shah)।
একুশে বিজেপি ৭৭টি আসনে জিতলেও বহু বিধায়ক শিবির বদল করেছেন। মেরুকরণের অস্ত্রে শান দেওয়া ছাড়া বিজেপি সেভাবে দাগ কাটতে পারেনি। পর্যবেক্ষকদের আরও অভিমত, মমতার বিকল্প মুখ নেই বিজেপিতে। এরপরেও বিজেপি বাংলা জয়ের স্বপ্ন দেখলেও তৃণমূল বলছে দিবাস্বপ্ন কোনও বাস্তবায়িত হবে না। শাহি হুঙ্কার (Amit Shah) নিয়ে বিজেপি-তৃণমূল স্বরগরম করেছে। কখনও উন্নয়নের কাজ না করতে পেরে,কখনও দলীয় বিশৃঙ্খলার অজুহাত তুলে ধরে শিবির বদল করেছেন বিধায়করা।
Truth of Bengal FB: https://www.facebook.com/share/1DpmwTbAnA/
বিশ্বজিত দাস, সুমন কাঞ্জিলাল,তন্ময় ঘোষ,তাপসী মণ্ডলের মতো বহু বিজেপি বিধায়ক দল বদলেছেন বলে দাবি তৃণমূল কংগ্রেসের ।তাই ছাব্বিশের আগে সংগঠন না অগুছিয়ে স্বপ্ন ফেরি করে কোনও লাভ হবে না বলে স্পষ্ট করছেন তৃণমূল নেতৃত্ব। এখন ছাব্বিশের ভোটযুদ্ধে গেমপ্ল্যান সফল করতে বিজেপি স্লোগানে যখন ঝাঁঝ বাড়াচ্ছে তখন তৃণমূল সংগঠিত প্রচার ও লড়াইতে নেমে পড়েছে। ছাব্বিশের আগে বিরোধীদের অ্যাসিড টেস্ট হবে কালীগঞ্জ উপ-নির্বাচনে।






