দুর্গাপুজো ২০২৫রাজনীতি

কেঁদে ভাসালেন কল্যাণ! শ্রীরামপুর পুজোয় আবেগঘন মুহূর্ত

সন্ধি পুজোর শেষে মায়ের স্তোত্রপাঠ সাংসদের

Truth Of Bengal: তরুণ মুখোপাধ্যায়: হুগলি:

শ্রীরামপুর ৫ ও ৬ এর পল্লী গোষ্ঠী ও ব্যবসায়ী সমিতির পুজোর প্রধান পৃষ্ঠপোষক কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় (Kalyan Banerjee)। প্রতি বছরই তিনি শ্রীরামপুর স্টেশন সংলগ্ন আরএমএস মাঠে জমকালো পুজো করেন। এবার সাবেকি প্রতিমা আর কোনারকের সূর্য মন্দিরের আদলে মন্ডপ তৈরী হয়েছে। যা দেখতে দর্শনার্থীদের ঢল নামছে।

আরও পড়ুনঃ Khepima Puja: নবাব আলিবর্দি খাঁ-র আমলে শুরু হওয়া এই পুজোয় কেন আজও দেবীকে বেঁধে রাখা হয়?

অষ্টমী ও নবমীর সন্ধিক্ষণের এই পুজোই মহাপুজো। আর সেই পুজো শেষে কাঁদলেন সাংসদ। দেবীর স্তোত্রপাঠ করছিলেন, সেই সময় হঠাৎই কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি। এরপর হাঁটু গেড়ে বসে পড়ে প্রণাম করেন তিনি। এরপরই সমাজমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন,  মা সবাইকে ভালো রাখুক। শান্তি রাখুক। সব ধর্মের মানুষকে ভাল রাখুক। ভালো সংস্কৃতি যেন তৈরি হয়। যে সমস্ত অসুররা রাজনীতির বাতাবরনকে নষ্ট করছে মা যেন তাদের দমন করে। দিদির প্রতি মায়ের যেন আরো আশীর্বাদ থাকে আগামী ২৬শের নির্বাচনে মা যেন আশীর্বাদ দেন। প্রতিটা অসুরকে পশ্চিমবাংলায় মারতে পারে। (Kalyan Banerjee)

লিঙ্কঃ https://www.facebook.com/truthofbengal

এছাড়াও  বিরোধী দল বিজেপিকেও আক্রমণ করে তিনি বলেন, “বিজেপির কোনো সংস্কৃতি নেই। ওরা তো উত্তর-ভারতের ঠাকুর দেবতা ছাড়া অন্য কোনও দেবতাকে মানেই না। ওরা দুর্গা, কালী, জগন্নাথ কে মানে না। ওরা সনাতনীয় না। সনাতনী কারা? হিন্দু ধর্ম হলো তারাই যে ধর্মের আলোয় আলোকিত হয়ে সমস্ত ধর্মের মানুষকে সমস্ত জাতির মানুষকে একসাথে নিয়ে চলতে পারে। মায়ের কাছে ছেলের কোন বিভাজন নেই, সব মানুষ এক। বিজেপি এটাই বোঝেনা। গুজরাটের থিওরি পশ্চিমবঙ্গে হবে না।” (Kalyan Banerjee)

Related Articles