আন্তর্জাতিক মঞ্চে বাংলার জয়জয়কার! রাষ্ট্রসংঘের স্বীকৃতি পেল ‘মাটির সৃষ্টি’, এক্স-এ পোস্ট মুখ্যমন্ত্রীর
প্রাকৃতিক ঐতিহ্য ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের ক্ষেত্রে ‘যোগ্য কমিউনিটি ইনিশিয়েটিভ’ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে এই কর্মসূচিকে।
Truth Of Bengal: পশ্চিমাঞ্চলের শুষ্ক জেলাগুলিতে ২০২০ সালে শুরু হওয়া ‘মাটির সৃষ্টি’ কর্মসূচি ফের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেল। ইউনাইটেড নেশন এর অধীনস্থ ফুড এন্ড এগ্রিকালচার অর্গানাইজেশন রাজ্যের এই উদ্ভাবনী সম্প্রদায়ভিত্তিক উদ্যোগকে আন্তর্জাতিক মানের স্বীকৃতি প্রদান করেছে। প্রাকৃতিক ঐতিহ্য ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের ক্ষেত্রে ‘যোগ্য কমিউনিটি ইনিশিয়েটিভ’ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে এই কর্মসূচিকে।
Proud to share that the United Nations has recognized our initiative yet again. The Food and Agriculture Organization of UN has awarded internationally valued certificate to us for our community initiatives in our innovative ‘Matir Srishti’ programme which we had launched in… pic.twitter.com/UVMaVMxIw9
— Mamata Banerjee (@MamataOfficial) February 18, 2026
রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের এক্স হ্যান্ডেলে এই সুখবর জানিয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী সোশ্যাল পোস্টে লিখেছেন, ‘মাটির সৃষ্টি’ একটি সৃজনশীল ও বহু-দফতর সমন্বিত প্রকল্প, যেখানে ভূমি, সেচ ও পঞ্চায়েত দপ্তরের কৌশল একত্রিত করে অনাবাদী, শুষ্ক ও একফসলি জমিকে বহুফসলি ও উর্বর করে তোলার লক্ষ্য নেওয়া হয়। পুকুর খনন ও অন্যান্য সেচব্যবস্থা গড়ে তুলে কৃষিযোগ্য জমির পরিমাণ বাড়ানো হয়েছে।
ফলত, উদ্যানপালন ও সবজি চাষ-সহ বহুমুখী কৃষিকাজে উৎসাহ বৃদ্ধি পেয়েছে। রাজ্যের দাবি, এই প্রকল্পের মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হয়েছে এবং গ্রামীণ পরিবারগুলির আয় বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।এছাড়াও, এফএও পশ্চিমবঙ্গের ঐতিহ্যবাহী সুগন্ধি ধান গোবিন্দ ভোগ, তুলাইপাঞ্জি এবং কনকচুর—কে ‘ফুড অ্যান্ড কালচার হেরিটেজ’ বা খাদ্য ও সংস্কৃতি ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে।
রাষ্ট্রসংঘের মহাপরিচালকের দপ্তর থেকে প্রাপ্ত স্বীকৃতিপত্র মুখ্যমন্ত্রীর তরফে প্রকাশ করা হয়েছে। প্রাকৃতিক ঐতিহ্য, জীববৈচিত্র্য এবং খাদ্য-সংস্কৃতি রক্ষায় আন্তর্জাতিক মঞ্চে এই স্বীকৃতি এক গর্বের সম্মান। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, এই সাফল্য উৎসর্গ করা হচ্ছে বাংলার সমগ্র গ্রামীণ সমাজকে, বিশেষ করে রাজ্যের কৃষকদের।






