কমিশনের অন্দরের চ্যাট ফাঁস! বিস্ফোরক স্ক্রিনশট শেয়ার করে ভোটার তালিকায় কারচুপির অভিযোগে সরব অভিষেক
অভিষেকের অভিযোগ, ভোটার তালিকা সংশোধনের মতো সংবেদনশীল প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছ ও আইনি পদ্ধতি অনুসরণ না করে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে গোপন নির্দেশ পাঠানো হচ্ছে।
Truth of Bengal: ভোটের মুখে আবারও রাজ্য রাজনীতিতে উত্তাপ ছড়াল নির্বাচন কমিশনকে ঘিরে। তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বুধবার সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম X-এ একাধিক হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটের স্ক্রিনশট প্রকাশ করে কমিশনের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ তুলেছেন। তাঁর দাবি, ভারতের নির্বাচন কমিশন সুপ্রিম কোর্টের নির্দিষ্ট নির্দেশিকা উপেক্ষা করে মাইক্রো অবজারভারদের দিয়ে ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়ার কাজ করাচ্ছে। অভিষেকের অভিযোগ, ভোটার তালিকা সংশোধনের মতো সংবেদনশীল প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছ ও আইনি পদ্ধতি অনুসরণ না করে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে গোপন নির্দেশ পাঠানো হচ্ছে।
Is the @ECISVEEP of the view that directions of the Hon’ble Supreme Court can be openly FLOUTED? The highest Court of the land has repeatedly emphasised transparency, due process, and adherence to official channels of communication. Yet we are witnessing instructions being… pic.twitter.com/YVtwkK8p5m
— Abhishek Banerjee (@abhishekaitc) February 18, 2026
তিনি যে স্ক্রিনশট প্রকাশ করেছেন, তাতে দেখা যাচ্ছে—একটি নির্দিষ্ট হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে বিশেষ রোল অবজারভার সি. মুরুগন মাইক্রো অবজারভারদের জন্ম শংসাপত্রের গ্রহণযোগ্যতা যাচাই করতে নির্দেশ দিচ্ছেন। তৃণমূলের বক্তব্য, মাইক্রো অবজারভারদের কাজ পর্যবেক্ষণ ও তথ্য সংগ্রহে সীমাবদ্ধ থাকার কথা। তাঁদের দিয়ে সরাসরি নাম বাদ দেওয়ার প্রক্রিয়া চালানো আইনসম্মত নয়। অভিষেক আরও অভিযোগ করেছেন, বিভিন্ন জেলার রোল অবজারভারদের নামে বরাদ্দ লগইন আইডি কলকাতার একটি কেন্দ্রীয় স্থান থেকে ব্যবহার করা হচ্ছে। তাঁর বক্তব্য, যদি নিরপেক্ষ তদন্ত হয়, তবে সংশ্লিষ্ট লগইনের আইপি অ্যাড্রেস ও টাওয়ার লোকেশন আধিকারিকদের প্রকৃত অবস্থানের সঙ্গে মিলবে না।
তাঁর অভিযোগ, নির্দিষ্ট একটি সম্প্রদায়কে নিশানা করতেই এই প্রক্রিয়া চালানো হচ্ছে। ফলে ভোটার তালিকার নিরপেক্ষতা ও স্বচ্ছতা নিয়ে বড় প্রশ্ন উঠছে বলেও তিনি দাবি করেছেন। নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে কড়া ভাষায় প্রশ্ন তুলে অভিষেক লেখেন, একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের বৈধতা জনবিশ্বাস থেকে আসা উচিত, রাজনৈতিক প্রভাব থেকে নয়। তিনি ‘দিল্লির জমিদারদের ইশারায়’ কাজ করা আধিকারিকদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপের হুঁশিয়ারিও দেন।






