Pakistan Economic Crisis: ভারতের সঙ্গে পাল্লা দিতে গিয়ে দেউলিয়া পাকিস্তান- সামরিক খরচের মাসুল গুনছে আমজনতা!
সামরিক খাতে অতিরিক্ত ব্যয়ের জন্য আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (IMF)-এর কাছ থেকে বড় অঙ্কের ঋণ নিতে বাধ্য হয়েছে তারা।
Truth of Bengal: ভারতের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় সামরিক শক্তি বাড়াতে গিয়ে নিজেদের অর্থনৈতিক ভিত নড়বড়ে করে ফেলেছে পাকিস্তান। আর সেই কারণেই আরও গভীর আর্থিক সঙ্কটে পড়েছে শাহবাজ শরিফের সরকার। সামরিক খাতে অতিরিক্ত ব্যয়ের জন্য আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (IMF)-এর কাছ থেকে বড় অঙ্কের ঋণ নিতে বাধ্য হয়েছে তারা। কিন্তু এই ঋণের বোঝা এখন জনগণের কাঁধে চাপিয়ে দিচ্ছে পাক সরকার (Pakistan Economic Crisis)।
সম্প্রতি বিশ্বব্যাঙ্কের একটি রিপোর্টে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে, ২০২৫ সালে পাকিস্তানে প্রায় ১ কোটি মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে চলে যেতে পারে। ক্রমবর্ধমান মুদ্রাস্ফীতির কারণে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা প্রতিদিনই কঠিন হয়ে উঠছে। এর মধ্যেই আইএমএফের শর্ত পূরণে তেলের উপর ভরসা করে রাজস্ব বাড়াতে মরিয়া পাকিস্তান সরকার।
আরও পড়ুন: Assembly Disruption: বিধানসভায় এসি বিভ্রাট! দরজা খোলা রেখে চললো অধিবেশন
পেট্রোল ও ডিজেলের দাম দ্রুতগতিতে বাড়ানো হয়েছে। পেট্রোলের দাম প্রতি লিটারে ৪.৮০ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে হয়েছে ২৫৮.৪৩ টাকা। অন্যদিকে, হাই স্পিড ডিজেলের দাম ৭.৯৫ টাকা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৬২.৫৯ টাকা প্রতি লিটার। নতুন এই দাম তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হয়েছে এবং পরবর্তী ১৫ দিন পর্যন্ত কার্যকর থাকবে (Pakistan Economic Crisis)।
বিশ্লেষকদের মতে, কোষাগার ফাঁকা হয়ে যাওয়ায় সরকার এই চাপ জনগণের উপর চাপিয়ে দিচ্ছে। আইএমএফ থেকে নেওয়া ঋণের একটি বড় অংশ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পরিশোধ করতেই এই পদক্ষেপ। পাকিস্তান সরকার জানিয়েছে, ঋণের শর্ত অনুযায়ী অতিরিক্ত অর্থ সংগ্রহ ছাড়া এই অর্থ ফেরত দেওয়া সম্ভব নয়। তেলের দামে এই বৃদ্ধির নেপথ্যে রয়েছে IMF-এর সরাসরি সুপারিশ। আইএমএফ পরামর্শ দিয়েছে, নগদে পেমেন্টকারী গ্রাহকদের কাছ থেকে প্রতি লিটারে ২ টাকা বেশি নেওয়া হোক এবং যারা ডিজিটাল মাধ্যমে পেমেন্ট করবেন তাঁদের ২ টাকা ছাড় দেওয়া হোক।
Truth of Bengal fb page: https://www.facebook.com/share/1DpmwTbAnA/
এই সিদ্ধান্ত সরাসরি সাধারণ মানুষের জীবনে প্রভাব ফেলবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। বাজারে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির সঙ্গে সঙ্গে পরিবহণ ব্যয়, খাদ্যদ্রব্যের দাম, এবং অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় খরচও বেড়ে যাবে। এর ফলে পাকিস্তানের আর্থ-সামাজিক পরিস্থিতি আরও বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে (Pakistan Economic Crisis)।






