দেশ

Plane Crash: জ্বালানি বন্ধের কারণে থেমে যায় ইঞ্জিন, প্রাথমিক রিপোর্টে উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য

যেভাবে টেক অফের পর বিমানটি নীচে নেমে আসতে থাকতে,তাতে নানা মহলে ধোঁয়াশা তৈরি হয়।

Truth of Bengal: ১২জুন অভিশপ্ত দিন। আকাশ পথে যাঁরা যাতায়াত করেন তাঁদের কাছে মেগা বিপর্যয়। যেভাবে  আমেদাবাদ বিমান দুর্ঘটনায় ২৬০জনের অকালমৃত্যু হয় তাতে নানা মহলে প্রশ্ন ওঠে,নাশকতা নাকি, পাখির ডানায় ধাক্কা লেগে দুর্ঘটনা ঘটেছে? সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে তদন্ত শুরু করা হয়। এখনও সেই দুর্ঘটনার স্মৃতি ভুলতে পারেনি দেশবাসী। যেভাবে টেক অফের পর বিমানটি নীচে নেমে আসতে থাকতে,তাতে নানা মহলে ধোঁয়াশা তৈরি হয়। ( Plane Crash)

[আরও পড়ুনঃ 21 July: একুশে জুলাই-এর প্রস্তুতি বৈঠক তৃণমূলের]

সেই বিমান দুর্ঘটনার প্রাথমিক রিপোর্ট এবার জমা পড়ল।  বিমান বিপর্যয়ের চাঞ্চল্যকর ঘটনার কথা প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। জানা গেছে,টেক অফের পরই বিমানের  ২টি ইঞ্জিনের জ্বালানি বন্ধ হয়ে যায়। বিমান গতি নেওয়ার পরই ২টি ইঞ্জিনেই জ্বালানি বন্ধ হয়ে যায়। গতি হারিয়ে রানওয়ের পাশের বহুতলে ধাক্কা খায় বিমানটি। বিমানের যান্ত্রিক গোলযোগের থেকে পাইলটের ভুলের দিকে আঙুল উঠেছে বলে সূত্রের খবর। এবিষয়ে  বিমান চালকদের সংগঠনের প্রেসিডেন্ট স্যাম থমাস একটি আনুষ্ঠানিক বিবৃতি জারি করেছেন।স্যাম থমাস জানিয়েছেন  “তদন্তের প্রাথমিক রিপোর্টে পাইলটের ভুলের দিকেই ইঙ্গিত করা হয়েছে।  বিমান চালকরা এই অনুমানকে প্রত্যাখান করে। তদন্তের গোপনীয়তা দেখেও বিমান চালকরা বিস্মৃত বলেও স্পষ্ট করেছেন।  একটি সুষ্ঠু এবং তথ্য-ভিত্তিক তদন্তের দাবি জানিয়ে স্যাম বলেন, “গোটা তদন্ত প্রক্রিয়াতে স্বচ্ছতার অভাব রয়েছে।( Plane Crash)

[লিঙ্কঃ https://www.facebook.com/truthofbengal]

তদন্তের প্রতিটি ক্ষেত্রে এত গোপনীয়তা থাকার ফলে এর বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়েও  প্রশ্ন রয়েছে। অভিজ্ঞ বিমানকর্মী এবং পাইলটদের  তদন্তে অন্তর্ভুক্ত  করা হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে। এর আগে দুর্ঘটনাস্থল থেকে বিমানের ব্ল্যাকবক্স উদ্ধার করা হয়। তার মধ্যে একটি ছিল ককপিট ভয়েস রেকর্ডার। দুর্ঘটনার মুহূর্তে ককপিটে পাইলটদের মধ্যে কী কথা হয়েছিল, তা এই যন্ত্রে রেকর্ড হয়। ককপিট ভয়েস রেকর্ডার থেকে জানা গিয়েছে, বিমানের জ্বালানির সুইচ বন্ধ হয়ে গেলেও আবার তা চালু হয়। কিন্তু তার পরেও এড়ানো যায়নি দুর্ঘটনা। কেন দুর্ঘটনা ? কী ভাবে বিপর্যয়ের দিকে এগিয়ে গিয়েছিল বিমানটি?  আমেদাবাদ বিমানবন্দর   থেকে বার হওয়ার পরে কী কী ঘটনা হয়েছিল, প্রত্যেক সেকেন্ডে কী ঘটেছিল, সেই খতিয়ান রয়েছে রিপোর্টে,এই তথ্যও ধরা পড়েছে।( Plane Crash)

অহমদাবাদে বিমান দুর্ঘটনার এক মাসের মাথায় প্রাথমিক রিপোর্ট প্রকাশিত হয়েছে। সেই রিপোর্ট বলছে, বিমান ওড়ার কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই জ্বালানির সুইচ বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। ‘রান’ থেকে ‘কাটঅফ’ হয়ে গিয়েছিল সুইচ। এর ফলে ইঞ্জিনে জ্বালানির জোগান বন্ধ হয়ে যায়, যা বিপত্তি ডেকে আনে। মুহূর্তের মধ্যে বিমানের গতি এবং উচ্চতা কমতে থাকে। তার পরে পাইলটদের চেষ্টায় আবার জ্বালানির সুইচ চালু করা হয়। কিন্তু তাতে শেষরক্ষা হয়নি। ওড়ার পরে ৩২ সেকেন্ড ধরে প্রতি মুহূর্তে ঠিক কী ঘটেছিল সেই বিমানে, তা এখন প্রকাশ্যে।( Plane Crash)

Related Articles