পিপিপি মডেলে দেশজুড়ে ১০০ নতুন সৈনিক স্কুল! সেনায় যোগদানের সুযোগ বাড়াতে উদ্যোগ রাজনাথের
সৈনিক স্কুলের সংখ্যা বাড়ানোর পাশাপাশি ন্যাশনাল ক্যাডেট ক্রপস বা এনসিসি (NCC)-র পরিধি বিস্তারেও বিশেষ জোর দিয়েছে কেন্দ্র।
Truth Of Bengal: দেশের প্রতিরক্ষা প্রস্তুতিকে আরও মজবুত করতে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে দেশসেবায় উদ্বুদ্ধ করতে এক বড়সড় ঘোষণা করলেন কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। কেন্দ্রীয় সরকারের নতুন উদ্যোগ অনুযায়ী, পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ বা পিপিপি (PPP) মডেলে দেশজুড়ে ১০০টি নতুন সৈনিক স্কুল স্থাপন করা হবে। উত্তরাখণ্ডের একটি সৈনিক স্কুলের হীরক জয়ন্তী বর্ষের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে রাজনাথ সিং এই ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তের কথা জানান। তিনি বলেন, এই স্কুলগুলি কেবল প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে যোগদানের জন্য যুবকদের প্রস্তুত করবে না, বরং তাদের মধ্যে শৃঙ্খলা, নেতৃত্ব ও দেশপ্রেমের প্রকৃত মূল্যবোধ জাগিয়ে তুলবে, যা তাঁদের জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে সফল হতে সাহায্য করবে।
সৈনিক স্কুলের সংখ্যা বাড়ানোর পাশাপাশি ন্যাশনাল ক্যাডেট ক্রপস বা এনসিসি (NCC)-র পরিধি বিস্তারেও বিশেষ জোর দিয়েছে কেন্দ্র। প্রতিরক্ষামন্ত্রী জানান, এনসিসি ক্যাডেটের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করা হয়েছে। আগে যেখানে ১৭ লক্ষ ক্যাডেট নিয়োগ করা হত, বর্তমানে সেই সংখ্যা বাড়িয়ে ২০ লক্ষ করা হয়েছে। এর ফলে দেশের আরও বেশি সংখ্যক পড়ুয়া নিয়মানুবর্তিতা ও দেশ গঠনের পাঠ নেওয়ার সুযোগ পাবে। রাজনাথ সিংয়ের মতে, যুবশক্তির এই বিকাশই আগামী দিনে ভারতকে আত্মনির্ভর ও শক্তিশালী করে তুলবে।
নারীর ক্ষমতায়ন ও সামরিক ক্ষেত্রে তাঁদের সমানাধিকার নিশ্চিত করতে সৈনিক স্কুলগুলিতে মেয়েদের ভর্তির সুযোগ করে দেওয়ার সিদ্ধান্তকে ‘যুগান্তকারী’ বলে অভিহিত করেছেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী। তিনি দাবি করেন, আমাদের দেশের নারী ক্যাডারদের সাফল্য ইতিমধ্যেই প্রমাণ করেছে যে তাঁরা প্রতিটি ক্ষেত্রে ছেলেদের কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে চলতে সক্ষম। উল্লেখ্য, ভারতীয় সেনাবাহিনী পরিচালিত এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলি কঠোর শৃঙ্খলা ও উন্নত মানের সিবিএসই (CBSE) পাঠক্রমের জন্য পরিচিত। প্রধানত সেনা কর্মীদের সন্তানদের অগ্রাধিকার দেওয়া হলেও, নতুন এই ১০০টি স্কুল সাধারণ পড়ুয়াদের জন্যও দেশের সেবামূলক ক্ষেত্রে নেতৃত্ব দেওয়ার নতুন দিগন্ত খুলে দেবে।






