দেশ

Missile Launch: ২ হাজার কিমি পাল্লার অগ্নি-প্রাইম, রেলপথে ছোড়া গেল মিসাইল! এলিট ক্লাবে ভারতের নাম

সর্বাধুনিক প্রযুক্তিতে নির্মিত এই ক্ষেপণাস্ত্র ২ হাজার কিলোমিটার দূরত্বে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম। এই সাফল্যের মাধ্যমে ভারত সেই বিরল দেশগুলির তালিকায় জায়গা করে নিল, যারা রেল নেটওয়ার্ক থেকেই ‘ক্যানিস্টারাইজড লঞ্চ সিস্টেম’-এ ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের ক্ষমতা অর্জন করেছে।

Truth of Bengal: প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে নতুন ইতিহাস গড়ল ভারত। বৃহস্পতিবার প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং ঘোষণা করেন, ওড়িশা উপকূলে আব্দুল কালাম দ্বীপ থেকে রেলভিত্তিক মোবাইল লঞ্চার থেকে সফলভাবে উৎক্ষেপণ করেছে অগ্নি-প্রাইম ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র। সর্বাধুনিক প্রযুক্তিতে নির্মিত এই ক্ষেপণাস্ত্র ২ হাজার কিলোমিটার দূরত্বে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম। এই সাফল্যের মাধ্যমে ভারত সেই বিরল দেশগুলির তালিকায় জায়গা করে নিল, যারা রেল নেটওয়ার্ক থেকেই ‘ক্যানিস্টারাইজড লঞ্চ সিস্টেম’-এ ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের ক্ষমতা অর্জন করেছে।রেলপথে এই মিসাইলটিকে স্থানান্তর করা সম্ভব। অল্প সময়ের প্রতিক্রিয়ায় মিসাইলটিকে লঞ্চ কর সম্ভব।প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারতের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আরও মজবুত হওয়ার পাশাপাশি এটি আত্মনির্ভরতার পথে বড় পদক্ষেপ (Missile Launch)।

আরও পড়ুনঃ ‘সাইয়ারা’র পর এবার নতুন ছবিতে আহান পাণ্ডে, কোন চরিত্রে দেখা যাবে অভিনেতাকে?

রাজনাথ সিং এক্স হ্যান্ডেলে লেখেন, ভারত রেলভিত্তিক মোবাইল লঞ্চার থেকে অগ্নি-প্রাইম ক্ষেপণাস্ত্রের সফল উৎক্ষেপণ করেছে। ২ হাজার কিলোমিটার পর্যন্ত আঘাত হানতে সক্ষম এই পরবর্তী প্রজন্মের ক্ষেপণাস্ত্রে রয়েছে একাধিক আধুনিক বৈশিষ্ট্য। বিশেষভাবে নকশা করা এই রেলভিত্তিক মোবাইল লঞ্চার সহজেই নেটওয়ার্ক জুড়ে চলাচল করতে পারে এবং অল্প সময়ের মধ্যেই গোপনে উৎক্ষেপণ সম্ভব করে তোলে। প্রতিরক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, ডিআরডিও, স্ট্র্যাটেজিক ফোর্সেস কমান্ড (এসএফসি) এবং সশস্ত্র বাহিনীকে অভিনন্দন। এই সাফল্যে ভারত এলিট ক্লাবের সদস্যপদ অর্জন করল। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ‘আত্মনির্ভর ভারত’ ভাবনারই প্রতিফলন এই সাফল্য। আগামী দিনে ভারতের কৌশলগত শক্তি বৃদ্ধিতে অগ্নি-প্রাইম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে বলে প্রতিরক্ষা মহলের ধারণা (Missile Launch)।

Truth of Bengal: https://www.facebook.com/share/1GbdnH1jqc/

উল্লেখ্য, গত অগস্ট মাসে সফলভাবে পরীক্ষা চালানো হয়েছিল অগ্নি-৫ ব্যালিস্টিক মিসাইলের। ওড়িশার চাঁদিপুরে ইন্টিগ্রেটেড টেস্ট রেঞ্জ থেকে উৎক্ষেপণের মাধ্যমে ক্ষেপণাস্ত্রটির সমস্ত প্রযুক্তিগত ও কার্যকরী মান যাচাই করা হয়। মধ্যম থেকে দীর্ঘ পাল্লার এই ক্ষেপণাস্ত্র একাধিক ওয়ারহেড বহনে সক্ষম, যা ভারতের অন্যতম কৌশলগত সম্পদ হিসেবে বিবেচিত। একই মাসে দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি ইন্টিগ্রেটেড এয়ার ডিফেন্স ওয়েপন সিস্টেম (আইএডিডব্লিউএস)-এর প্রথম পরীক্ষামূলক উড়ানও সফল হয়। তিনটি অত্যাধুনিক প্রযুক্তির সমন্বয়ে তৈরি এই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নিম্ন-উড়ন্ত ড্রোন থেকে শুরু করে শত্রুর যুদ্ধবিমান কিংবা ক্ষেপণাস্ত্র— সবকিছুকেই কার্যকরভাবে নিষ্ক্রিয় করার ক্ষমতা রাখে।ভারতের একের পর এক এই সাফল্য প্রমাণ করছে, প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে আত্মনির্ভরতার পথে দেশ দ্রুত অগ্রসর হচ্ছে (Missile Launch)।

Related Articles