আন্তর্জাতিক

আকাশপথে শক্তির লড়াই: মার্কিন দম্ভ বনাম ইরানের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা

১৯ মার্চের এক ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে

Truth Of Bengal: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অত্যাধুনিক স্টেলথ যুদ্ধবিমান এফ-৩৫, যা এতদিন কার্যত অদম্য হিসেবেই পরিচিত ছিল, তা নিয়ে এবার নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।

১৯ মার্চের এক ঘটনাকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, ইরানের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা একটি এফ-৩৫ যুদ্ধবিমানকে শনাক্ত করে আঘাত হানতে সক্ষম হয়েছে। যদিও আমেরিকার দাবি, বিমানটি সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়নি, বরং সেটি নিরাপদে একটি ঘাঁটিতে জরুরি অবতরণ করেছে।

অন্যদিকে, ইরান দাবি করছে তারা সফলভাবে বিমানটিকে ভূপাতিত করেছে। এই ঘটনার পর সবচেয়ে বড় প্রশ্ন উঠেছে—যে স্টেলথ প্রযুক্তির জন্য এফ-৩৫ রাডারে ধরা পড়ে না, সেটিকে কীভাবে টার্গেট করল ইরান? বিশেষজ্ঞদের মতে, ইরান সম্ভবত ইনফ্রারেড ট্র্যাকিংয়ের মতো উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করেছে, যা বিমানের তাপচিহ্ন শনাক্ত করতে পারে। ফলে রাডার এড়িয়েও বিমানটিকে লক্ষ্যবস্তু করা সম্ভব হয়েছে।

উল্লেখযোগ্যভাবে, ঘটনার কয়েক ঘণ্টা আগেই মার্কিন প্রশাসন দাবি করেছিল যে ইরানের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা প্রায় ধ্বংস হয়ে গেছে এবং তারা নির্বিঘ্নে আকাশে উড়তে পারছে। কিন্তু এই হামলার ঘটনা সেই দাবিকেই প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। ইরান ইতিমধ্যেই হামলার একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে, যেখানে আঘাতের মুহূর্ত দেখানো হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। গোটা ঘটনাটি শুধু সামরিক প্রযুক্তির দিক থেকেই নয়, ভবিষ্যতের যুদ্ধ কৌশল এবং বৈশ্বিক শক্তির ভারসাম্যের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।

Related Articles