কলকাতা

চার আধিকারিকের ‘শাস্তি’ নিয়ে কমিশনকে বার্তা নবান্ন’র

সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই যেহেতু রাজ্য সরকার কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে ফলে নতুন করে এফআইআর হলে সেটা হবে লঘু পাপে গুরুদন্ড।

Truth Of Bengal: ভোটার তালিকায় কারচুপির অভিযোগ উঠেছিল। বিষয়টি নিয়ে নির্বাচন কমিশন চারজন আধিকারিক এর বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছিল। যদিও সেই নির্দেশ কার্যকর করা হয়নি। পরবর্তী সময়ে নির্বাচন কমিশন থেকে ডিইও বা জেলা শাসকদের এফ আই আর করার নির্দেশ দিয়েছে। কিন্তু সেই এফ আই আর হয়নি।

সংশ্লিষ্ট জেলার জেলা শাসকরা নির্বাচন কমিশনের কাছে সময় চেয়েছিলেন। এর ফাঁকে নবান্ন থেকে চিঠি দেওয়া হল জাতীয় নির্বাচন কমিশন কে। রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে ইতিমধ্যেই এডভোকেট জেনারেলের সঙ্গে কথা বলা হয়েছিল। ভোটার তালিকায় কারচুপির অভিযোগে চারজন আধিকারিক এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে রাজ্য সরকার অ্যাডভোকেট জেনারেলের সঙ্গে কথা বলে।

সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই যেহেতু রাজ্য সরকার কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে ফলে নতুন করে এফআইআর হলে সেটা হবে লঘু পাপে গুরুদন্ড। ‌ সেই কারণে জাতীয় নির্বাচন কমিশন কে তাদের সিদ্ধান্তকে পুনর্ যাচাই করার জন্য আর্জি জানিয়েছে নবান্ন। পূর্ব মেদিনীপুরের ময়না ও দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুর পূর্বের ই আর ও , এ ই আর ও -এর বিরুদ্ধে এফআইআর করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল নির্বাচন কমিশন থেকে। সেই ব্যাপারেই নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ যাতে পুনর্বিবেচনা করা যায় তার জন্যই নবান্ন থেকে চিঠি দেওয়া হল জাতীয় নির্বাচন কমিশনকে বলে সূত্রের খবর।

Related Articles